রাজধানীর কলাবাগানে হত্যাকাণ্ড, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক হত্যাসহ সম্প্রতি বিভিন্ন হত্যার সঙ্গে বিএনপি-জামায়াতের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ এনেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি জানান,  এ ধরনের গুপ্ত হত্যা পরিকল্পিত। এসব রোধে দেশবাসীকে রুখে দাঁড়াতে হবে।

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের প্রার্থীতা চূড়ান্ত করতে ধারাবাহিকভাবেই বসছে আওয়ামী লীগের সংসদীয় বোর্ডের সভা। তবে সোমবার এই বৈঠকে সাম্প্রতিক ঘটে যাওয়া কলাবাগানে দু’জনকে কুপিয়ে হত্যা ও এর একদিন আগেই একই কায়দায় কুপিয়ে হত্যা করা হয় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক রেজাউল করিম সিদ্দিকীকে। আর এসব বিষয়েই কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি জানান, এটা কোন বিচ্ছিন্ন ঘটনা না। এটা সুপরিকল্পিতভাবে হত্যাকাণ্ড। যারা এর আগে নির্বাচন ঠেকাতে গিয়ে হত্যা করেছে, যারা সরকার উৎখাতের নামে মানুষ হত্যা করেছে ঠিক তারাই এর সাথে সম্পৃক্ত। তারাই এই হত্যাকাণ্ডগুলো ঘটাচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী জানান, এটা কারা করছে সকলেই বুঝে। বিএনপি-জামায়াতসহ এরাই নানা রূপে নানা কথা বলে এই ধরনের বিক্ষিপ্ত ঘটনা ঘটাচ্ছে।

এ ধরনের হত্যাকাণ্ড রোধে দেশবাসীর সহযোগিতা চেয়ে শেখ হাসিনা জানান,  এইক্ষেত্রে দেশবাসীকে আমি আহবান জানাবো প্রত্যেককে একটু সজাগ থাকতে হবে এবং এদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। কাজেই এ বিষয়ে আমি জনগণেরও সহযোগিতা চাই। তারাও যেনো এই বিষয়টা দেখেন যে কিভাবে কারা এর সাথে জড়িত। যেখানেই তারা খবর পাবে আমাদের সহযোগিতা করবে।

মিডিয়াকেও এব্যাপারে তথ্য জোগাড়ে চেষ্টা করার আহবান জানিয়ে তিনি জানান,  এভাবে দেশে অশান্ত পরিবেশ হোক আমরা চাই না। আমরা তা হতে দেবো না।

যারাই এর সঙ্গে তাদেরকে আমরা অবশ্যই খুঁজে বের করবো অঙ্গিকার ব্যক্ত করেন শেখ হাসিনা। ইতিমধ্যে কিছু ধরাও পড়েছে। সাথে সাথে বিচার হচ্ছে। প্রত্যেকটা ঘটনার সাথে সাথে আমরা কিন্তু তাদের বিচারের আওতায় নিয়ে আসছি। এটা শুধুমাত্র সময়ের ব্যাপার। কারণ তদন্ত করে এগুলো বের করতে হবে। কিন্তু আমরা এগুলো বের করতে পারবো এবং আমরা করবো। এজন্য আমরা দেশবাসীর সহযোগিতা চাই।

হত্যাকারীদের ধরতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ তৎপর আছে বলেও আশ্বস্ত করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here