স্প্যানিশ পুলিশের অত্যাচারের শক্ত জবাব ফুটবলেই দিয়েছে বার্সেলোনা। দর্শকশূন্য মাঠে পিকেদের পারফরম্যান্স জোরালো বার্তা ছড়িয়ে দিয়েছে বিশ্বজুড়ে। ক্লাব কর্তৃপক্ষের ঘোষণা স্বাধীনতার লড়াইয়ে কাতালানদের পাশেই থাকবে ব্লু গ্রানা। দমন পীড়নের প্রতিবাদ জানাতে আজ একদিনের জন্য অনুশীলন বর্জন করেছে ক্লাবটি।

লাঠি চার্জ-রাবার বুলেটে থামানো যায়নি মিছিল। দমন পীড়নে রুদ্ধ হয়নি কণ্ঠস্বর ৯০ ভাগ ভোটে আত্মপ্রকাশের বার্তা দিয়েছে কাতালানরা।

পুলিশি নির্যাতনে রাজপথে দাঁড়ানো কঠিন, প্রতিকূল পরিস্থিতিতে কাতালানদের মুখপাত্র হয়ে উঠেছে এফসি বার্সেলোনা।

এফসি বার্সেলোনা সভাপতি জোসেফ মারিয়া বার্তেমিউ জানান, কাতালানদের ওপর স্প্যানিশ পুলিশের দমন পীড়নের নিন্দা জানায় বার্সেলোনা প্রশাসন। বিষয়টি পুরো পৃথিবীর সামনে তুলে ধরতে ব্যতিক্রমি কিছু করার দরকার ছিল সে লক্ষ্যেই আমরা ক্লোজড ডোর ম্যাচের সিদ্ধান্ত নিই।

যে ৮৯৩ জন মানুষ আহত হয়েছে তাদের প্রতি আমাদের সমর্থন জানাতে একদিন অনুশীলন বর্জনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি, বন্ধ থাকছে ক্লাব সদর দপ্তর।

আগের দিন অশ্রুসিক্ত চোখে প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন জেরার্ড পিকে, এবার সরাসরি যুদ্ধ ঘোষণা ক্লাব সভাপতির। স্বাধীনতার লড়াইয়ে কাতালানদের পাশেই থাকবে বার্সেলোনা। এমনকি স্প্যানিশ লিগে সুযোগ হারানোর হুমকিতেও ভয় পাচ্ছেনা ব্লু গ্রানা।

জোসেফ মারিয়া বার্তা মিউ আরো জানান, লাস পালমাসের বিপক্ষে ম্যাচ বর্জন করলে হয়তো এতো প্রতিক্রিয়া পেতামনা। দর্শকশুন্য মাঠ বরং শক্তিশালী বার্তা ছুঁড়ে দিয়েছে গোটা বিশ্বকে। কিন্তু এটাই শেষ নয় কাতালানদের অধিকার রক্ষার আন্দোলনে তাদের সাথেই থাকবে বার্সেলোনা।

পিকে-বার্তেমিউর বার্তা সহজভাবে নেয়নি স্প্যানিশ জাতীয়তাবাদীরা। স্পেনের হয়ে অনুশীলনে নেমে দর্শকদের বিদ্রুপের শিকার হয়েছেন পিকে। সময়ের সাথে ক্লাবের চেয়ে বেশি কিছু হয়ে উঠছে বার্সেলোনা ফুটবল হয়ে উঠছে লড়াইয়ের অনুষঙ্গ।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here