র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে বসার আগেই অবাছাই ক্যারোলিন গার্সিয়ার কাছে হেরে গেলেন সিমোনা হালেপ। চায়না ওপেনের ফাইনালে ওঠার সুবাদেই মহিলা টেনিসের শীর্ষস্থান নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল সিমোনা হালেপের। কিন্তু রোববার বেইজিংয়ে ফাইনালে তাকে হারিয়ে শিরোপা জিতে নিলেন ফ্রান্সের অবাছাই খেলোয়াড় ক্যারোলিন গার্সিয়া। এটি তার টানা দ্বিতীয় ডব্লিউটিএ শিরোপা। রোমানিয়ার তারকা হালেপকে ৬-৪, ৭-৬(৭/৩)এ হারান র‌্যাঙ্কিংয়ের ১৬ নম্বরে থাকা গার্সিয়া। এ নিয়ে টানা ১১ ম্যাচ জিতলেন তিনি।  আজ নারী টেনিস সংস্থা সর্বশেষ র‌্যাঙ্কিং প্রকাশ করবে। ২৩ বছর বয়সী গার্সিয়া এখন ৯ নম্বরে উঠে আসবেন।

চলতি বছর ফ্রেঞ্চ ওপেনের ফাইনালে ইয়েলেনা ওস্তাপেঙ্কোর কাছে হেরে গিয়ে খুবই কেঁদেছিলেন সিমোনা হালেপ। সেই ওস্তাপেঙ্কোকে হারিয়ে এবারও কাঁদলেন। তবে এবারের কান্না কষ্টের নয়, সুখের। চায়না ওপেনের সেমিফাইনালে ওস্তাপেঙ্কোকে হারিয়ে এক ঢিলে তিন পাখিই মারলেন হালেপ। এক-প্রতিশোধ, দুই-ফাইনাল নিশ্চিত করা। আর তিন নম্বরটা হচ্ছে প্রথমবারের মতো মেয়েদের র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থান দখল করা।

শনিবার বেইজিংয়ে চায়না ওপেনের ফাইনালে ওঠার এই লড়াইয়ে হালেপ ৬-২, ৬-৪ সেটে জিতে এক রকম উড়িয়েই দেন ওস্তাপেঙ্কোকে। দেশের হয়ে প্রথমবারের প্রথম র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে উঠে ম্যাচ শেষে নিজের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে হালেপ বলেন, ‘এটি খুবই আবেগের। আমি যখন প্রথমবারের মতো এটি  কোর্টে চিন্তা করেছি তখন কোর্টেই কেঁদে দিয়েছি’। দিনটি তার জন্য স্পেশাল ছিল উল্লেখ করে এই অর্জনের জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন নিজের দল এবং যারা খেলা দেখেছেন তাদের সবাইকে।

এদিকে ২৬ বছর বয়সী এই টেনিস কন্যার প্রশংসা করে ডব্লুটিএ’র সিইও স্টিভ সিমন ও টুর্নামেন্ট সভাপতি মিক লাউলার বলেন, ‘হালেপ এই বছর গত তিনটি টুর্নামেন্ট ধরেই র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থানের সঙ্গে ব্যবধান কমিয়ে আসছিলেন। অবশেষে সেই স্মরণীয় মাহেন্দ্রক্ষণ এসেছে এই ম্যাচের (চায়না ওপেন সেমিফাইনাল) পর।’

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here