বর্তমান সময়ে টিভি বিজ্ঞাপন ও ছোট পর্দার নাটকে নিয়মিত কাজ করছেন ঢলিউড অভিনেত্রী পূর্ণিমা। অভিনয়ের বাইরে এ বছর একটি বড় মাপের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সফলভাবে উপস্থাপনা করেন তিনি। তার এই উপস্থাপনার প্রশংসা করে বিশিষ্ট অভিনেতা-নির্মাতা নরেশ ভূঁইয়া বলেছিলেন উপস্থাপিকা হিসেবে অসাধারণ এক পূর্ণিমাকে দেখেছি। সবকিছুতেই তার প্রতিভা, মেধার প্রতিফলন দারুণভাবে ফুটে উঠেছে। বাংলাদেশের সিনেমার একজন নায়িকার কাছে যা কল্পনাও করতে পারি না।

এদিকে অনেকদিন ধরেই নতুন চলচ্চিত্রে তাকে দেখা যাচ্ছে না। এ বিষয়ে পূর্ণিমা বলেন, এখন তো নতুন ছবির গল্প প্রায়ই শুনছি। প্রস্তাবও আসছে। কিন্তু গল্পে ভিন্নতা খুবই কম থাকে। সব ছবির গল্প প্রায় একই রকম লাগে। ভিন্ন কাহিনীর ছবিতে কাজ করতে চাই। অপেক্ষা করছি এর জন্য।

তিনি বলেন, দর্শকদেরও রুচির পরিবর্তন হয়েছে। কোনো নাটক বা অনুষ্ঠান মিস করলেও তাদের প্রবলেম নেই। ইউটিউবে তা দেখে ফেলছে। বিনোদনের কোনো কমতি থাকছে না।

পূর্ণিমা আরো বলেন, আগে তো বিনোদনের জন্য একমাত্র জায়গা ছিল বড় পর্দা। চার থেকে পাঁচটি শো সিনেমাহলে কয়েক সপ্তাহ ধরে হাউজফুল চলত। এখন বাসায় হোম থিয়েটারে ডিভিডি বা ইউটিউব অন করে ছবি দেখছেন দর্শক। তাই সিনেমা হলে দিন দিন লোক কমে যাচ্ছে।

পূর্ণিমা বলেন, আমি সবশেষ কয়েক বছর আগে সিনেমা হলে গিয়ে ছবি দেখেছি। এখন শুনছি দেশের বেশিরভাগ সিনেমা হলেরই পরিবেশ খুব খারাপ। তাই দর্শককে আবার ফিরিয়ে আনতে সিনেমা হলের পরিবেশ ঠিক করা জরুরি। যারা নিয়মিত সিনেমা হলে ছবি দেখেন তারা অনেক কষ্ট করে ছবি দেখেন। তাই পাইরেসি রোধের পাশাপাশি সিনেমা হলের পরিবেশ ঠিক করতে হবে।

জাকির হোসেন রাজু পরিচালিত ‘এ জীবন তোমার আমার’ ছবিতে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে ১৯৯৭ সালে দিলারা হানিফ রীতা ওরফে পূর্ণিমার চলচ্চিত্রে অভিষেক ঘটে। বিশ বছরের ক্যারিয়ারে এখন পর্যন্ত তার অভিনীত একশ’র মতো ছবি মুক্তি পেয়েছে। অনেক জনপ্রিয় তারকার বিপরীতে সফলভাবে কাজ করেছেন তিনি। কাজী হায়াৎ পরিচালিত ‘ওরা আমাকে ভালো হতে দিল না’ ছবির জন্য ২০১০ সালে সেরা অভিনেত্রী হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন এই অভিনেত্রী। সবশেষ গত মাসের শেষদিকে ইফতেখার আহমেদ ফাহমীর ‘টু বি কন্টিনিউড’ ছবিটি মুক্তি পায় তার।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here