আদা মশলা জাতীয় ফসলের মধ্যে আদা অন্যতম। মূলত আদা একটি খাদ্য হিসেবে বেশি ব্যবহৃত হয়। এটি ভেষজ ঔষধ। অন্যতম। আদা খাদ্যশিল্পে, পানীয় তৈরীতে, আচার, ঔষধ ও সুগণ্ধি তৈরীতে ব্যবহার করা হয়।  এরকম বাড়ি খুজেই পাওয়া যাবেনা যেখানে আদা নেই। এটা এমন এক বস্তু যা প্রত্যেক বাড়িতেই থাকে। আদার রয়েছে অসাধারন কয়েকটি গুন যা আমাদের অনেকেরই জানা নেই। চলুন আজকে আমরা জেনে নিই আদার অসাধারন ৫টি গুণাগুণ

১। সর্দি–কাশি হলে আমরা সাধারনত মধু খাই। মধুর সঙ্গে আদা মিশিয়ে নিলে বেশি উপকার পাবেন। এক চা চামচ মধু নিন। কয়েক ফোঁটা আদার রস মেশান। এক চিমটি গোলমরিচ গুঁড়ো মেশান। দিনে তিন–চারবার সেই মিশ্রণ পান করুন। দেখবেন আপনার সর্দি–কাশি পালানোর পথ পাবে না।

২। আদায় আছে জিনজেরেলস এবং গিনজারোন নামের উপাদান। মনে করা হয়, এই উপাদানগুলো শরীরকে গরম রাখতে সহায়তা করে। দু’‌কাপ পানিতে অল্প আদা কুচি দিয়ে দশ মিনিট ধরে ফোটান। তাতে কয়েক ফোঁটা মধু ফেলে দিন। দিনে ২ থেকে ৩ বার খান এই মিশ্রণ।

৩। শীতে পা ঠাণ্ডা হলে অনেকেরই সমস্যা হয়। আর্দ্র‌তার অভাবে পা এবং গোড়ালি শুষ্ক হয়ে ফেটে যায়। হাল্কা গরম পানি নিয়ে তাতে আদা দিয়ে ফোটান। একটু ঠাণ্ডা হলে তাতে পা ডুবিয়ে বসুন। আরাম পাবেন। শুষ্কতার সমস্যা কাটবে।

৪। বদ হজম হলে আদা খান। আদার একটি ভাল গন্ধ রয়েছে। বদহজম বা চোঁয়া ঢেঁকুর উঠলে আদা খাওয়া দরকার। সোডিয়ামে অ্যালার্জি না থাকলে আদার সঙ্গে নুন মাখিয়ে চুষতে পারেন।‌

৫। পুড়ে গেলে লাগান আদা বাটা। লেবুর রস এবং আদা বাটার মিশ্রণ দারুণ উপকারী।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here