সাকিবের বিশ্বাস ঘুরে দাঁড়াবে টিম বাংলাদেশ। ডায়মন্ড ওভালে আজ অনুশীলন শেষে তাঁর মন্তব্য, ভালো ব্যাটিং করা, ভালো জায়গায় বেশি বোলিং করা; এই মৌলিক কাজগুলো যদি ভালোভাবে করতে পারে টিম বাংলাদেশ তাহলে জেতার সম্ভাবনা বেশি থাকবে।

প্রোটিয়াদের বিপক্ষে ওডিআই সিরিজ শুরুর আগে আজ (শুক্রবার) কিম্বার্লির ডায়মন্ড ওভালে টাইগারদের অনুশীলন শেষে দলের প্রতিনিধি হয়ে সংবাদ সম্মেলনে আসেন অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। আসন্ন ওয়ানডে সিরিজে বাংলাদেশের সম্ভাবনা নিয়ে গণমাধ্যমকে সাকিব জানিয়েছেন,

“খেলব তো আমরা জেতার জন্যই। বাকিটা দেখা যাক কি হয়। অবশ্যই এদের কন্ডিশনে অনেক কঠিন হবে। আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জিং ব্যাপার। কিন্তু এগুলো সব দেশের জন্য একই রকম। এরা যখন আমাদের দেশে যায় শেষবার ওরাও হেরেছে। কন্ডিশনের কারণে একটা বড় প্রভাব পড়ে অবশ্যই।”

ডু প্লেসিসদের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজটা ভালো না কাটায় ওয়ানডেতে ভালো কিছু করে দেখানোর প্রতিজ্ঞা পুরো দলের ভেতর। তাতে বাংলাদেশ দল যে উন্নতির সিঁড়িতেই আছে, সেটা নিয়ে অন্তত কেউ প্রশ্ন তুলতে পারবে না। সাকিবও জানালেন, ‘সবাই এখন ওয়ানডে সিরিজে অনেক বেশি মনোযোগ দিচ্ছে। যেহেতু আমরা টেস্ট ভালো খেলিনি, এটাই আমাদের প্রমাণ করার জায়গা যে আমরা উন্নতি করছি।’

“আমাদের চেষ্টা থাকবে মৌলিক কাজগুলো যেন ঠিকভাবে করতে পারি। ভালো ব্যাটিং করা, শুরুটা ভালো করা। বোলিং ভালো করা। ভালো জায়গায় বেশি বোলিং করা। এই মৌলিক কাজগুলো যদি ভালোভাবে করতে পারি আমাদের জেতার সম্ভাবনা বেশি থাকবে।”

প্রোটিয়াদের বিপক্ষে শেষ হওয়া দুই টেস্টে সাকিব ছিলেন ছুটিতে। বিশ্রাম কাটিয়ে প্রস্তুতি ম্যাচে এসেই করলেন ফিফটি। ইঞ্জুরির কারণে দ্বিতীয় টেস্টে দলের বাহিরে থাকা ওপেনার তামিম ইকবাল ফিরেছেন অনুশীলনে। ওয়ানডেতে টাইগার দলে অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের ফেরা নিয়েও সাকিব জানান,

 

“অ্যাডভান্টেজ-ডিজঅ্যাডভান্টেজের চেয়ে সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া। এটাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। এই ধরনের কন্ডিশনে আমরা খুব বেশি খেলি না। হঠাৎ করে এসেই ভালো কেউই করে না। আপনি এশিয়ার দলগুলোরর নিকট অতীতের পারফরম্যান্সে দেখেন, উপমহাদেশের বাইরে কারোরই ভালো না। এশিয়ার বাইরের যারা তারা যখন এশিয়ায় গেছে তাদেরও পারফরম্যান্স ভালো না।”

টেস্ট সিরিজে তিনি ছিলেন বিশ্রামে, তবে রঙিন পোশাকের ক্রিকেটে ফিরেই তিনি খেলেন দলের ইনিংস। ওয়ানডে সিরিজের আগে একমাত্র প্রস্তুতি ম্যাচে খেলতে নামেন সাকিব, পাঁচ নম্বরে নেমে সর্বোচ্চ ৬৮ রানের ইনিংস খেলেছিলেন তিনি।

বর্তমান বাংলাদেশ দলে অনেক বিশ্বমানের খেলোয়াড় আছে। বড় দলের বিপক্ষে বড় বড় জায়গায় ম্যাচ জেতার অভিজ্ঞতা আছে দলটার। সর্বশেষ শ্রীলঙ্কা সিরিজ এবং দেশের মাটিতে দুর্দান্ত পারফর্মেন্স করেছে টাইগাররা। তবে সাকিবের আশা, প্রোটিয়াদের বিপক্ষে টেস্টের যন্ত্রণা ভুলে সবাই এখন ওয়ানডে নিয়েই বেশি মনোযোগী হবে। ব্যাটিংয়ে তাঁর বেশি প্রত্যাশা দলের টপ অর্ডারের ব্যাটসম্যানদের কাছ থেকে,

“আশা করি, আমাদের ব্যাটসম্যান যারা আছে তারা সবাই চেষ্টা করবে ভালো করার। একটা ম্যাচে সবাই ভালো করবে না, খুবই স্বাভাবিক। কিন্তু ওপরের দিকে তিন জন-চার জন যদি ভালো করে, তালে পরের ব্যাটসম্যানদের জন্য রানটা করা অনেক সহজ হয়ে যায়।”

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here