ব্রিটিশ সেনাদের বিরুদ্ধে প্রায়ই বিভিন্ন অভিযোগ আসে। আর তার বেসিরভাগই হলো নারীঘটিত কেলেঙ্কারির। এবার তেমনি এক অভিযোগে পুরো ইংল্যান্ড জুড়ে চলছে তোলপাড়। অভিযোগ উঠেছে, সমুদ্রে গভীর পানির নিচে ডুবন্ত সাবমেরিনে শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন দু’জন নারী সদস্য ও দু’জন পুরুষ সদস্য।

ওই সাবমেরিন ছিলো তখন পারমাণবিক অস্ত্রে সুসোজ্জিত। ওই সাবমেরিনে ছিলেন এমন পাঁচজন কর্মকর্তা পদত্যাগের হুমকি দিয়েছেন।

বলা হয়েছে, এমন শারীরিক সম্পর্কে জড়িত থাকা একজন নারী অফিসারকে চিহ্নিত করা হয়েছে। তিনি সাব-লেফটেন্যান্ড রেবেকা এডওয়ার্ড বলে জানাচ্ছে বৃটিশ মিডিয়া।

এতে আরো বলা হয়, এইচএমএস ভিজিল্যান্ট সাবমেরিন যখন উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে ডুবন্ত অবস্থায় তখন এর ভিতরের দু’জন উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা ওই দুই নারীর দেহ ভোগ করেছেন। কিন্তু একই সাবমেরিনের ভিতরকার কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রে এমন সম্পর্ক গড়া নিষিদ্ধ।

রিপোর্টে আরো বলা হচ্ছে স্টুয়ার্ট আর্মস্ট্রং (৪১) নামের কমান্ডিং অফিসার একজন নারীর সঙ্গে যৌন সম্পর্ক গড়েছিলেন। গ্লাসগোর কাছে ফসালেনে এই সাবমেরিনের ঘাঁটিতে সিনিয়র কর্মকর্তাদের এ বিষয়টি জানান ওই সাবমেরিনের একজন সদস্য।

তারপরই ঘটনা প্রকাশ পায়। ওই সময় থেকেই দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে আর্মস্ট্রংকে। একই অভিযোগে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে আর্মস্ট্রংয়ের সেকেন্ড ইন কমান্ড লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মাইকেল সিল’কে।

উল্লেখ্য, বৃটেনের হাতে এখন মাত্র চারটি পারমাণবিক অস্ত্র সমৃদ্ধ ভ্যাবগার্ড ব্রান্ডের সাবমেরিন আছে। তার অন্যতম এইচএমএস ভিজিল্যান্ট। এটি টহলে সক্রিয় রয়েছে। বৃটেনকে কোনো পারমাণবিক যুদ্ধের ক্ষেত্রে সুরক্ষা দেয় এই সাবমেরিন।

বৃটেনের নৌবাহিনীর একটি সূত্র বলেছেন, এইচএমএস ভিজিল্যান্ট সাবমেরিক যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছার পর পরই এর কর্মকর্তারা পদত্যাগের হুমকি দেন। তারপরই এর সিও এবং একও’কে তাদের কমান্ড থেকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে। তাদের এমন কর্মকা- কমান্ডিংয়ে যারা আছেন তাদের ক্ষতি করেছে।

তাদেরকে যে দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল তার অধীনে ছিল এ জাতীয় শারীরিক সম্পর্ক বন্ধ রাখা। রাজকীয় নৌবাহিনীর এক মুখপাত্র বলেছেন, ওই ঘটনায় সাবমেরিনটির কর্মতৎপরতায় কোনো প্রভাব ফেলে নি। এ বিষয়ে তদন্ত চলছে।

উল্লেখ্য, এখন থেকে ছয় বছর আগে একজন নারী অফিসারের বিরুদ্ধে সাবমেরিনে দায়িত্ব পালনের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here