ইন্দোনেশিয়ার প্রথম সারীর ফুটবলার ছইরুল হুদা মারা গেছেন। রোববার সকালে খেলার মাঠে সতীর্থের সঙ্গে সংঘর্ষে মাঠেই মাথায় এবং  গলায় গুরুতর আঘাত পান এই গোলরক্ষক। সোমবার হাসপাতালে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ইন্দোনেশিয়ার প্রথম সারির ফুটবল ক্লাব পারসেলা ল্যামোঙ্গান-এর গোলরক্ষক ছইরুল রোববার সকালে খেলছিলেন দেশটির ঘরোয়া লিগের ম্যাচে। সেখানে বিপক্ষ দলের স্ট্রাইক ঠেকাতে গিয়ে নিজ দলের ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার রামোন রদ্রিগেজ-এর সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয় ৩৮ বছর বয়সী এই খেলোয়াড়ের।

রামোনের বুটের আঘাতে মারাত্মক আহত হন ছইরুল। প্রচণ্ড যন্ত্রনায় মাটিতে শুয়ে পড়েন তিনি। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে নিয়ে যাওয়া হয় স্থানীয় হাসপাতালে।

বার্তা সংস্থা এএফপিকে এই ব্যাপারে পার্সেলার সহকারী কোচ ইউহরোনুর এফেন্দি বলেন, ‘প্রথমে হাসপাতাল থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হলেও পরবর্তীতে  তাকে আর বাঁচানো যায়নি।’

ল্যামোঙ্গান হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ইউদিস্তিরো আন্দ্রি নুগরোহো বলেন, ‘সতীর্থের সঙ্গে ধাক্কা লাগায় ছইরুল হুদার শ্বাস-প্রশ্বাস ও হৃদযন্ত্রের রক্ত সঞ্চালন বন্ধ হয়ে গিয়েছিলো। এই সংঘর্ষে গলা ও মাথায় যে আঘাত পেয়েচিলেন ছইরুল, সেখান থেকে পরবর্তীতে তার এই সমস্যাগুলো হয়।’

পার্সেলা ল্যমোঙ্গানের ‘ঘরের ছেলে’ হিসেবে পরিচিত ছইরুল এই ক্লাবে খেলে আসছিলেন ১৯৯৯ সাল থেকে। টুইটারে শোকবার্তা প্রকাশ করে ক্লাব কর্তৃপক্ষ তাকে অভিহিত করেছে ইন্দোনেশিয়ান ফুটবলের ‘সত্যিকারের কিংবদন্তি’ হিসেবে।

ছইরুলের হাজারো ভক্ত সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেছেন তাদের প্রিয় খেলোয়াড়ের প্রতি।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here