মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর নির্যাতনের মুখে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের কাছ থেকে তাদের দুঃখ-দুর্দশার কথা শুনেছেন মালয়েশিয়ার উপপ্রধানমন্ত্রী আহমদ জাহিদ হামিদি।

সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় কক্সবাজারের কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে যান তিনি।

এর পর রোহিঙ্গা শরণার্থীরা তার কাছে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে তাদের ওপর পরিচালিত ভয়াবহ হত্যা-নির্যাতনের কথা তুলে ধরতে শুরু করেন।

বাংলাদেশে আশ্রয় পেয়ে কৃতজ্ঞ রোহিঙ্গা শরণার্থীরা। কিন্তু প্রয়োজনীয় ত্রাণের অপর্যাপ্ততাসহ বিভিন্ন সমস্যার মধ্য দিয়ে দিন কাটছে তাদের।

মালয়েশিয়ার উপপ্রধানমন্ত্রী শরণার্থী শিবিরে যাওয়ার পর রোহিঙ্গারা তার কাছে নিজেদের দুঃখ-দুর্দশার কথা তুলে ধরেন।

এর আগে সকাল পৌনে ১০টার দিকে ঢাকা থেকে বিশেষ ফ্লাইটে উপপ্রধানমন্ত্রী আহমদ জাহিদ হামিদি কক্সবাজার বিমানবন্দরে পৌঁছান।

রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শন শেষে দুপুরের পর কক্সবাজার থেকেই তার বাংলাদেশ ছেড়ে যাওয়ার কথা রয়েছে।

দুদিনের সফরে রোববার সকালে ঢাকায় পৌঁছেন মালয়েশিয়ার উপপ্রধানমন্ত্রী আহমদ জাহিদ হামিদি।

এর পর সন্ধ্যায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাহমুদ আলীর সঙ্গে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন।

বৈঠকে শেষে আহমাদ জাহিদ হামিদি বলেন, মিয়ানমার থেকে প্রাণভয়ে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের মধ্যে ৩ লাখ লোকের স্বাস্থ্যসেবার জন্য একটি ফিল্ড হাসপাতাল স্থাপন করবে মালয়েশিয়া।

দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে এই হাসপাতাল তৈরি করে দেয়া হবে বলে জানান তিনি।

বৈঠকে আহমাদ জাহিদ রোহিঙ্গাদের আশ্রয় এবং তাদের সর্বাত্মক সহযোগিতায় বাংলাদেশের ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেন।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here