মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক আটটি দেশের নাগরিকদের উপর যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা প্রদানের বিষয়টি কোর্টে পরাজিত হয়েছে। সেখানকার একটি ফেডারেল কোর্ট এই সপ্তাহে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রটের অস্থায়ী প্রতিরোধ আদেশ জারি হওয়ার আগেই সেটি স্থগিত করে দেয়।

ট্রাম্পের নতুন এই নিষেধাজ্ঞার লক্ষ্য ছিলো ইরান, লিবিয়া, সিরিয়া, ইয়েমেন, সোমালিয়া, চাদ ও নর্থ কোরিয়ার নাগরিকরা এবং সেই সঙ্গে কিছু ভেনিজুয়েলার কর্মকর্তা।

এর আগেও ছয়টি মুসলিম দেশের প্রতি নিষেধাজ্ঞা জারি করতে চেয়েছিলো, কিন্তু সেটাও সেখানকার সর্বোচ্চ আদালতে নিষিদ্ধ হয়ে যায়।

ট্রাম্পের তৃতীয় ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আটকানোর জন্য হনুলুলুর হাউয়াই রাজ্যে এই মামলা জারি করা হয়, যেটা বুধবার থেকেই কার্যকর হওয়ার কথা ছিলো।

তাদের দাবি ফেডারেল ইমিগ্রেশন আইনের অধীনে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা নেই, এই ধরনের কোনো নিষেধাজ্ঞা চাপিয়ে দেওয়ার। আমেরিকার জেলা জজ ডেরিক ওয়াটসন এর আগে মার্চেও ট্রাম্পের দেওয়া ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞায় বাধা দেন। তিনিই এবারও এই নিয়ন্ত্রণ আদেশ দেন।

ওয়ানসন লিখেছেন, নতুন এই নীতিটা পূর্বের নীতিগুলোর মতোই সমস্যা সৃষ্টিকারী। তিনি বলেন, ছয়টি বিশেষ দেশ থেকে ১৫০ মিলিয়ন মানুষকে আমেরিকায় প্রবেশ করতে দিলে সেটা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্যে ক্ষতিকর হবে এমন কোনো তথ্য আমাদের কাছে নেই।

এর আগে সেপ্টেম্বরেও নিরাপত্তা ও তথ্য পাচারের চিন্তায় একবার ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি করে হোয়াইট হাউজ। গত মার্চ মাস থেকে এই ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা নিয়ে কাজ করছেন প্রেসিডেন্ট। সেই সময়ে ছয়টি মুসলিম প্রধান দেশের উপরে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়, যেটাকে সবাই মুসলিমদের উপর নিষেধাজ্ঞা বিবেচনা করে নেয়।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here