‘বাংলাদেশের অর্থনীতি ভেঙে ফেলতে পাকিস্তানের ষড়যন্ত্রে মিয়ানমারের রোহিঙ্গাদের ওপর আক্রমণ হয়েছে’ বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী।

শুক্রবার দুপুরে তার নির্বাচনী এলাকা শেরপুরের নালিতাবাড়ীর সন্নাসীভিটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এক অনুষ্ঠানে এ মন্তব্য করেন তিনি। এসময় ওই স্কুলের শিশু শিক্ষার্থীদের মাঝে সোলার ল্যাম্প বিতরণ করা হয়।

মতিয়া চৌধুরী বলেন, পদ্মা সেতু নিয়ে সরকার যখন এগিয়ে যাচ্ছে, তখন পাকিস্তান দেখল- বাংলাদেশকে আর ঠেকানো গেল না। মিয়ানমারের নানান মহলের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক আছে। হঠাৎ এক রাতে সেনারা রোহিঙ্গাদের ওপর আক্রমণ করল। রোহিঙ্গারা দলে দলে বাংলাদেশে এল। এখন প্রায় দশ লাখ রোহিঙ্গা এদেশে অবস্থান করছে। তারা ভেবেছিল, বাংলাদেশের অর্থনীতি ভেঙে পড়বে- কিন্তু ভাঙেনি। আমাদের অর্থনীতিকে তারা মোটেও নষ্ট করতে পারবে না। আমাদের সাময়িক কিছু অসুবিধা হতে পারে, সে অসুবিধাগুলো আমরা কাটিয়ে উঠছি।

মন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনা আজ মানবতার মাতা। তিনি ‘মাদার অব হিউমেনিটি’ উপাধিতে ভূষিত হয়েছেন। রোহিঙ্গারা আমাদের দেশের নয়, তারা মিয়ানমারের অধিবাসী। তাদের ওপর নির্যাতন হয়েছে, তারা বাংলাদেশে এসেছে। আমরা যেমন একাত্তরে ভারতে আশ্রয় নিয়েছিলাম।

দিনব্যাপী আয়োজিত বিভিন্ন সমাবেশে শেরপুরের জেলা প্রশাসক ড. মল্লিক আনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে ছিলেন- পুলিশ সুপার রফিকুল হাসান গনি, সহকারী পুলিশ সুপার নালিতাবাড়ী সার্কেল জাহাঙ্গীর আলম, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ আশরাফ উদ্দিন, নালিতাবাড়ী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান একেএম মুখলেছুর রহমান রিপন, মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান আসমত আরা আসমা, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তরফদার সোহেল রহমান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জিয়াউল হোসেন মাস্টার, সাধারণ সম্পাদক ফজলুল হক প্রমুখ।

এদিন কৃষিমন্ত্রী উপজেলার বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ুয়া টপ টুয়েন্টিতে থাকা তিন হাজার ২২০ জন শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ইমাম-মুয়াজ্জিন, পাল-পুরোহিত, ঠাকুর, আয়া-দপ্তরি ও ধাত্রী মিলে প্রায় তিন শতাধিক ব্যক্তির মাঝে মাঝে সোলার ল্যাম্প বিতরণ করেন।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here