আবুধাবিতে গত বুধবার তৃতীয় ম্যাচটি জিতে সিরিজ আগেই নিশ্চিত করে রেখেছিল পাকিস্তান। দুইদিন পর শারজাতেও সেই দুর্দান্ত পাকিস্তান। চতুর্থ ওয়ানডেতেও শ্রীলঙ্কাকে কোনও সুযোগ দেয়নি তারা। বাবর আজম ও শোয়েব মালিকের ফিফটিতে ৭ উইকেটে জিতলো চ্যাম্পিয়নস ট্রফিজয়ী দল। ৪-০ তে এগিয়ে থাকা পাকিস্তান আগামী সোমবার হোয়াইটওয়াশ করার উদ্দেশ্যে শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি হবে শারজায়।

টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমেও এদিন ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারেনি শ্রীলঙ্কা। আগের তিন ম্যাচের চেয়েও কম রান তারা জমা করে স্কোরবোর্ডে। কারণ একাহাতে লড়েছেন কেবল লাহিরু থিরিমান্নে। ইনিংস সেরা ৬২ রান করেন তিনি।

এর আগে ১১ ও ২৫তম ওভারে দুইবার জোড়া আঘাতের শিকার হলে ভেঙে পড়ে শ্রীলঙ্কার ব্যাটিং লাইনআপ। ৯৯ রানে ৭ উইকেট হারানোর পর প্রতিরোধ গড়েছিলেন থিরিমান্নে ও আকিলা ধনঞ্জয়া। তাদের ৪৩ রানের জুটিই দলের সর্বোচ্চ।

মাত্র ৪৩.৪ ওভারে ১৭৩ রানে অলআউট হয় শ্রীলঙ্কা। পাকিস্তানের দুর্দান্ত বোলিংয়ে ৩ উইকেট নিয়ে এগিয়ে ছিলেন হাসান আলী। ইমাদ ওয়াসিম ও শাদাব খান দুটি করে উইকেট নেন।

লক্ষ্যে নেমে ৫৮ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে অস্বস্তির মুখোমুখি হয়েছিল পাকিস্তান। তবে সব শঙ্কা তাদের কেটে যায় আজম ও শোয়েব মালিকের হার না মানা ১১৯ রানের জুটিতে। ৩৯ ওভারে ৩ উইকেটে ১৭৭ রান করে পাকিস্তান।

১০১ বলে ৬৯ রানে অপরাজিত ছিলেন আজম। মালিকের ব্যাটেও আসে ৬৯ রান। তবে তিনি ছিলেন মারকুটে। তার ৮১ বলের ইনিংসে রয়েছে ২ চার ও ৩ ছয়।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

ফল: সাত উইকেটে জয়ী পাকিস্তান।

শ্রীলঙ্কা ইনিংস: ১৭৩ (৪৩.৪ ওভার)

(নিরোশান ডিকলেয়া ২২, উপুল থারাঙ্গা ০, দিনেশ চান্দিমাল ১৬, লাহিরু থিরিমান্নে ৬২, সাদিরা সামারাবিকরামা ০, মিলিন্দা সিরিবর্দনে ১৩, সেকুগে প্রসন্ন ৫, থিসারা পেরেরা ০, আকিলা ধনঞ্জয়া ১৮, সুরঙ্গা লাকমল ২৩*, লাহিরু গ্যামেজ ১; জুনায়েদ খান ১/২২, উসমান খান ১/৩৮, ইমাদ ওয়াসিম ২/১৩, মোহাম্মদ হাফিজ ০/২৯, হাসান আলী ৩/৩৭, শাদব খান ২/২৯)।

পাকিস্তান ইনিংস: ১৭৭/৩ (৩৯ ওভার)

ইমাম-উল-হক ২, ফখর জামান ১৭, বাবর আজম ৬৯*, মোহাম্মদ হাফিজ ৯, শোয়েব মালিক ৬৯*; সুরঙ্গা লাকমল ০/২৫, লাহিরু গ্যামেজ ১/২৭, আকিলা ধনঞ্জয়া ১/২৯, সেকুগে প্রসন্ন ১/৪৪, থিসারা পেরেরা ০/১৬, মিলিন্দা সিরিবর্দনে ০/৩৪)।

 

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here