তার হাতে টানা দ্বিতীয়বারের মত ‘দ্য বেস্ট ফিফা মেনস প্লেয়ার’ পুরস্কারটি না উঠলে বরং অঘটনই হত। তাতো ঘটলোই না, বরং লন্ডনের পলেডিয়াম থিয়েটারে সোমবার রাতে এক ঝাঁক ফুটবল তারকার মাঝে সবচেয়ে উজ্জ্বল নক্ষত্র হয়েই জ্বললেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। লিওনেল মেসি ও নেইমারকে দর্শক বানিয়ে পঞ্চমবারের মত ফিফা বর্ষসেরার পুরস্কার হাতে তুলে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর রেকর্ডের পাশে বসেছেন সিআর সেভেন।

গত বছর থেকে ফিফা ব্যালন ডি’অর ভাগ হয়ে ছয় বছর আগের রূপে ফিরেছে ফিফার বর্ষসেরা পুরস্কার। তাতে বর্ষসেরার পুরষ্কারের নাম হয়েছে ফিফা দ্য বেস্ট। সেটিই দ্বিতীয়বারের মত জিতলেন রোনালদো। প্রথমবার ২০০৮ সালে, ফিফার বর্ষসেরা ও ফ্রান্স ফুটবল সাময়িকীর ব্যালন ডি’অর পুরস্কার ঘরে তুলেছিলেন তিনি। দুটি পুরস্কার একীভূত হলে ২০১৩ এবং ২০১৪ সালের জিতেছিলেন।

গত ৯ বছরে বর্ষসেরা ফুটবলারের পুরস্কার মেসি ও রোনালদো ছাড়া জিততে পারেননি আর কেউ। দশম বছরেও ঘটল না তার ব্যতিক্রম।

রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে গত মৌসুমে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ও লা লিগা জিতেছেন রোনালদো। চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ইতিহাসে প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে নকআউট পর্বে ৫০ গোলের মাইলফলক স্পর্শ করার পাশাপাশি নকআউট পর্বে টানা দুই ম্যাচে হ্যাটট্রিক করার কীর্তিও গড়েন। প্রথম ফুটবলার হিসেবে ছুঁয়েছেন ইউরোপিয়ান প্রতিযোগিতায় ১০০ গোলের মাইলফলক। ১২ গোল করে গত মৌসুমে ছিলেন চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সর্বোচ্চ গোলদাতাও।

দুই ফুটবল কিংবদন্তি আর্জেন্টিনার ডিয়েগো ম্যারাডোনা এবং ব্রাজিলের ফেনোমেনন রোনালদোকে পাশে নিয়ে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর হাত থেকে বর্ষসেরার পুরষ্কার হাতে নিয়েছেন রোনালদো। পুরষ্কার হাতে তার ধন্যবাদ পেলেন দুই প্রতিদ্বন্দ্বী মেসি এবং নেইমারও, ‘আমাকে নির্বাচিত করার জন্য ধন্যবাদ। বিশেষ করে ধন্যবাদ লিও(মেসি) এবং নেইমারকে, এখানে আসার জন্য। আমার দল, সতীর্থ, কোচ আর যারা আমাকে সমর্থন যুগিয়েছেন সবাইকে বিশেষ ধন্যবাদ। আমি খুবই খুশি। এত কিংবদন্তির পাশে থাকতে পারাটাও বিশেষ সৌভাগ্যের।’

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here