জুতা পায়ের নিচেই থাকে। ধুলো-ময়লা নোংড়া সবকিছু থেকে পা-কে সুরক্ষা দেয় এটি। তাই বলে জুতাকে তো কেউ শোকেস বন্দি করে রাখে না। কেন এল এ কথা? এক জোড়া জুতার দাম শুনলে যে কেউ অবাক হবে। ভেবে বসবেন এই অমূল্য ধন তো আর পায়ের নিচে দেওয়া যাবে না। মাথার পাশে শোকেসে যত্ন করে রাখতে হবে।

সে রকমই এক জোড়া জুতা তৈরি করেছেন মার্কিন নকশাকার ডেব্বিই উইংহাম। নজরকাড়া ডিজাইনে তৈরি ওই জুতার দাম ১৫ দশমিক ১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি টাকায় এর দাম পড়বে প্রায় ১২৫ কোটি টাকা। এখন পর্যন্ত এটাই বিশ্বের সবচেয়ে দামি জুতা। কেনই বা হবে না? জুতাজোড়া যে হিরে ও স্বর্ণখচিত।

উইংহাম দামি এই জুতার নকশা করলেও এটাকে নান্দনিকভাবে সাজিয়েছেন ফ্লোরিডাভিত্তিক নামকরা আর্টিস্ট ক্রিস ক্যাম্পবেল। এ জন্য তাকে কয়েকশ` ঘণ্টা সময় ব্যয় করতে হয়েছে। মানুষের ব্যবহার্য এই জুতা তৈরির পদ্ধতি ছিল একেবারে নিখুঁত। হিল জোড়া তিন ক্যারেট অতি মূল্যবান হীরা ও এক ক্যারেট নীল হীরা দিয়ে সাজানো হয়েছে। বিভিন্ন অংশে ব্যবহার করা হয়েছে উন্নতমানের প্লাটিনাম। জিপার, চামড়ার বিভিন্ন অংশ ও সোল (তলা) সাজানো হয়েছে ২৪ ক্যারেট খাঁটি স্বর্ণ দিয়ে। জমকালো সাজ আনতে বিভিন্ন স্থানে লাগানো হয়েছে আরও ১৮ ক্যারেট স্বর্ণ।

জুতার ভেতরের অংশও স্বর্ণ দ্বারা মোড়ানো। বিশ্বের নামকরা জুতা তৈরিকারক প্রতিষ্ঠান লেদার অ্যারাবিয়ান এই জুতা তৈরিতে সর্বশেষ কাজ করে। প্রতিষ্ঠানটি জেসমিন ফুলের প্রতিকৃতি যুক্ত করে জুতার সামনের দিকে।

উইংহাম বলেন, অনেক ক্রেতা বিভিন্ন ধরনের মূল্যবান অলঙ্কার আমার থেকে কিনেছেন। সেগুলো খুব যত্মেও রেখেছেন তারা। রত্মখচিত সেসব মূল্যবান জিনিস তারা হয়তো জীবনে একবার কিংবা দুবার ব্যবহার করেছেন। আমার তৈরি সবকিছু সবার কাছেই গ্রহণযোগ্যতা পায়।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here