কেবল ড্র নয়, কোন গোলও করতে পারেনি বার্সেলোনা। গ্রিক ক্লাব অলিম্পিয়াকোসের সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করেছে স্প্যানিশ জায়ান্ট বার্সেলোনা। মঙ্গলবার ডি গ্রুপের অপর খেলায় ইতলির জায়ান্ট জুভেন্টাস ১-১ গোলে ড্র করেছে পর্তুগালের স্পোর্টিং লিসবনের সঙ্গে। চ্যাম্পিয়ন্স লীগে গ্রুপ পর্বের খেলায় ৫ বছরে এই প্রথম গোল করতে ব্যর্থ হলো বার্সেলোনা। এদিন জিতলে দ্বিতীয় রাউন্ড নিশ্চিত হতে পারতো বার্সার। কিন্তু সুয়ারেজের শট বারে লেগে ফিরে এলে হতাশা নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় তাদের।

অবশ্য ভাগ্যও সঙ্গে ছিল না বার্সেলোনার। তা না হলে অমন সব সুযোগ কেন নষ্ট হবে তাদের। লুই সুয়ারেস নষ্ট করেছেন সহজ সুযোগ, মেসি তো ফাঁকায় বল পেয়েও মেরেছেন বাইরে! তবে শুধু ভাগ্যের দোষ দিলে চলবে না। প্রতিপক্ষ অলিম্পিয়াকোসকেও দিতে হবে কৃতিত্ব। রক্ষণাত্মক ফুটবলে তারা গোলই করতে দেয়নি বার্সেলোনাকে। ডিফেন্ডারদের পারফরম্যান্স ছিল এককথায় অসাধারণ।

স্বাগতিক গোলরক্ষক সিলভিও প্রোতোর কথা আলাদাভাবে বলতেই হবে। অন্তত তিনটি নিশ্চিত গোল ঠেকিয়েছেন তিনি। নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার আগ মুহূর্তের সেভটা ছিল অসাধারণ। বক্সের ঠিক বাইরে থেকে মেসির নেওয়া মাপা শট দারুণ দক্ষতায় প্রতিহত করেন তিনি। তাতে গোটা ম্যাচে সুযোগ তৈরি করেও গোলহীনভাবে ম্যাচ শেষ করতে হয় বার্সেলোনাকে।

‘ডি’ গ্রুপে স্পোর্তিং লিসবন-জুভেন্টাস ম্যাচও ড্র হয়েছে ১-১ গোলে। ২০ মিনিটে ব্রুনো সিজারের গোলে এগিয়ে গিয়েছিল স্বাগতিক লিসবন। আর ৭৯ মিনিটে জুভেন্টাসকে সমতায় ফেরান গনসালো হিগুয়েইন।

‘সি’ গ্রুপে চেলসিকে মাটিতে নামিয়ে এনেছে রোমা। ঘরের মাঠে ইতালিয়ান ক্লাবটি ইংলিশ চ্যাম্পিয়নদের উড়িয়ে দিয়েছে ৩-০ গোলে। স্তেফান এল শারউয়ির জোড়া লক্ষ্যভেদের পর তৃতীয় গোলটি করেছেন ডিয়েগো পেরোত্তি। শুরুর বাঁশি বাজার পরপরই রোমা এগিয়ে যায় শারউয়ির লক্ষ্যভেদে। ইতালিয়ান এই ফরোয়ার্ড ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ৩৬ মিনিটে। আর চেলসির কফিনে শেষ পেরেকটি মারেন পেরোত্তি ৬৩ মিনিটে।

অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদ-কারাবাগের ম্যাচটি অবশ্য ড্র হয়েছে ১-১ গোলে। মাইকেলের লক্ষ্যভেদে ৪০ মিনিটে সফরকারী কারাবাগ এগিয়ে গেলেও ৫৬ মিনিটে মাদ্রিদের ক্লাবটিকে ১ পয়েন্ট এনে দেন টমাস পার্টি।

আবারও গোলোৎসব করেছে প্যারিস সেন্ত জার্মেই। লেভিন কুরজায়ার হ্যাটট্রিকে সফরকারী অ্যান্ডারলেখটকে ৫-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে প্যারিসের ক্লাবটি। গোল পেয়েছেন নেইমারও। তবে ৩০ মিনিটে পিএসজির গোলোৎসব শুরু হয়েছিল মার্কো ভেরাত্তির লক্ষ্যভেদে। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে বক্সের বেশ খানিকটা বাইরে থেকে দুর্দান্ত গোল করে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন নেইমার। আর বিরতি থেকে ঘুরে এসে ৫২, ৭২ ও ৭৮ মিনিটে তিন গোল করে হ্যাটট্রিক পূরণ করেন কুরজায়া। ‘বি’ গ্রুপের অন্য ম্যাচে সেল্টিকের মাঠ থেকে ২-১ গোলের জয় নিয়ে ফিরেছে বায়ার্ন মিউনিখ।

‘এ’ গ্রুপে জয়ের ধারা সচল রেখেছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। ঘরের মাঠে ইংলিশ ক্লাবটি ২-০ গোলে হারিয়েছে বেনফিকাকে। অন্য ম্যাচে বাসেলের মাঠ থেকে ২-১ গোলে জিতে ফিরেছে সিএসকেএ মস্কো।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here