ইরাকের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর মসুল মুক্তির চূড়ান্ত লড়াইয়ের সময় ৭৪১ জন বেসামরিক ব্যক্তিকে গলা কেটে কিংবা গুলি করে হত্যা করেছে উগ্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠী দায়েশ। জাতিসংঘ মানবাধিকার কার্যালয় থেকে বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ওই প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, মসুল শহরে মোট দু হাজার ৫২১ জন বেসামরিক নাগরিক মারা গেছে যাদের বেশিরভাগই দায়েশের হামলায় নিহত হয়েছে। মসুলে এসব সন্ত্রাসী আন্তর্জাতিক অপরাধ করেছে বলেও মন্তব্য করেছে জাতিসংঘ।

জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার জেইদ রাদ আল-হোসেইন বলেন, “এ ধরনের ঘৃণ্য অপরাধের সঙ্গে জড়িতদেরকে অবশ্যই জবাবদিহি করতে হবে।” গত ১০ জুলাই ইরাকের প্রধানমন্ত্রী হায়দার আল-এবাদি আনুষ্ঠানিকভাবে মুসল শহরে উগ্র দায়েশ সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে সরকারি বাহিনীর বিজয় ঘোষণা করেন। পরাজয়ের আগ পর্যন্ত ইরাকে মসুল ছিল দায়েশের প্রধান ঘাঁটি।

জাতিসংঘ তার প্রতিবেদনে আরো বলেছে, মসুল লড়াইয়ের সময় সন্ত্রাসীরা গণভাবে বেসামরিক লোকজনকে অপহরণ করে মানবঢাল হিসেবে ব্যবহার করেছে। এর পাশাপাশি যেসব মানুষ শহর থেকে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছে তাদের ওপর নির্বিচারে গোলাবর্ষণ করেছে। মসুল শহর উদ্ধার অভিযানের সময় আট লাখ মানুষ উদ্বাস্তু হয়েছে বলেও জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশন জানিয়েছে।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here