উত্তর কোরিয়ার দরজায় ধাক্কা মারছে আমেরিকা। কার্যত এমনই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে প্রশান্ত মহাসাগরে। উত্তর কোরিয়াকে লক্ষ্য করে এগিয়ে যাচ্ছে বিশ্বের সবথেকে বড় এয়ারক্রাফট কেরিয়ার। একটা নয়, তিন-তিনটে যুদ্ধবিমানবাহী রণতরী নিয়ে এগোচ্ছে মার্কিন নেভি। কিমকে কার্যত হুঁশিয়ারি দিতেই এগুলি নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

এক দশকের মধ্যে প্রথমবার প্রশান্ত মহাসাগরে নেমেছে তিনটি মার্কিন এয়ারক্রাফট কেরিয়ার। গত বৃহস্পতিবারই মার্কিন নেভির তরফ থেকে এই ঘোষণা করা হয়েছে। উত্তর কোরিয়াকে বার্তা দিয়ে একইসঙ্গে মহড়ায় নামবে ইউএসএস রোনাল্ড রেগান, ইউএসএস নিমিৎজ ও ইউএসএস থিয়োডোর রুজভেল্ট।

মহড়ার জন্য প্রশান্ত মহাসাগরে নেমেছে এই তিন এয়ারক্রাফট কেরিয়ার। কিমের সামরিক বাহিনীকে কোনঠাসা করে দিতে এই পদক্ষেপ নিয়েছে আমেরিকা। একদিকে যখন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এশিয়া সফরে রয়েছেন, তার মধ্যেই পেন্টাগনের নির্দেশে জলে নেমেছে মার্কিন নৌসেনা বাহিনী।

প্রশান্ত মহাসাগরে ওই এয়ারক্রাফট কেরিয়ার বিভিন্ন ধরনের মহড়া করবে। এয়ার ডিফেন্স, কমব্যাট ট্রেনিং-এ ব্যবহার করা হবে এই রণতরীগুলি। ২০০৭-এর পর এই প্রথম যুদ্ধবিমানবাহিনী রণতরীগুলি একসঙ্গে এই ধরনের মহড়ায় যোগ দিল।

চিনে গিয়ে ট্রাম্প বলেন, উত্তর কোরিয়ার ওপর চিন যে চাপ তৈরি করছে তাতে উত্তর কোরিয়ার ওপর খুব একটা যে প্রভাব পড়ছে না। পিয়ংইয়ংয়ের আরও একটি মিসাইল পরীক্ষার বিষয়টি জানার পরই এই মন্তব্য ট্রাম্পের৷ উত্তর কোরিয়ার বারবার মিসাইল পরীক্ষা যে সংঘর্ষেরই ইঙ্গিত দিচ্ছে এমনটাই মন অনেকের৷

ট্রাম্প একটি সংবাদ সংস্থাকে জানান, চিন উত্তর কোরিয়ার ওপর চাপ তৈরি করছে৷ চিনের রাষ্ট্রপতি জি জিংপিং তাঁর খুব পছন্দের ব্যক্তি৷ কিন্তু চিন যে উদ্যোগ নিয়েছে তার প্রভাব যে উত্তর কোরিয়ার ওপর পড়েনি এমনটাই প্রমাণিত হয়েছে উত্তর কোরিয়ার মিসাইল পরীক্ষার মাধ্যমে৷

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here