প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘এফ’ ইউনিটের গণিত ও পরিসংখ্যান বিষয়ে ভর্তি পরীক্ষা বাতিলে সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেয়া রায় বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ। এর ফলে এই দুই বিষয়ে ভর্তি হওয়া ১০০ শিক্ষার্থীর ভর্তি বহাল রইল।

বুধবার দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহহাব মিঞার নেতৃত্বে পাঁচ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

আদালতে আবেদনকারীদের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

চলতি বছরের ১৭ এপ্রিল এই ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা বাতিলে সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করে রায় দেয় হাইকোর্ট। ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে ইবি কর্তৃপক্ষ। সেই আবেদনের শুনানি নিয়ে আপিল বিভাগ আজ এ আদেশ দিল।

রুহুল কুদ্দুস কাজল জানান, ৮৮ জন শিক্ষার্থী রিট করলেও এই রায় ভর্তি হওয়া ১০০ শিক্ষার্থীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।

মামলার নথি সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের ০৭ ডিসেম্বর ওই বিষয়ের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর ১৬ জানুয়ারি ১০০ শিক্ষার্থী ওই দু’টি বিভাগে ভর্তি হন। কিন্তু প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ ওঠার পর ০৬ মার্চ বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট পরীক্ষা বাতিল করে।

ওই সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ফারহানা আক্তার লিজাসহ ৮৮শিক্ষার্থী হাইকোর্টে রিট করেন। এ রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে ১৩ মার্চ হাইকোর্ট সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত স্থগিত করে রুল জারি করেন। এরপর এ রুলের শুনানি শেষে হাইকোর্ট রুল যথাযথ (অ্যাবসুলেট) ঘোষণা করেন। ফলে ১৬ জানুয়ারি ভর্তি হওয়া ১০০ শিক্ষার্থীর ভর্তি বহাল রইলো। তবে এসব শিক্ষার্থী কোন সেশন থেকে ক্লাস শুরু করবে তা বিস্তারিত রায়ের পর জানা যাবে।

উল্লেখ্য, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ গত ১৬ মার্চ ‘এফ’ ইউনিটে ফের পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষার্থী ভর্তি করেছে।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here