সিরিয়া থেকে রাশিয়ার সেনা সংখ্যা কমানো হবে বলে জানিয়েছেন রুশ সামরিক বাহিনীর প্রধান জেনারেল ভিলেরি গেরাসিমভ। তিনি আরো বলেছেন, সেনাসংখ্যা কমানো হলেও সিরিয়ায় দু’টি রুশ সামরিক ঘাঁটি অক্ষুণ্ন রাখা হবে।

জেনারেল গেরাসিমভ মস্কোয় এক বক্তৃতায় বলেন, সিরিয়ায় সন্ত্রাসীরা নির্মূলের পথে রয়েছে বলে সেনাসংখ্যা কমিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সিরিয়ায় চলমান যুদ্ধবিরতি তদারকি করার জন্য হামিমিম ঘাঁটির পাশাপাশি আরো দু’টি ঘাঁটিতে রুশ সেনা মোতায়েন থাকবে বলে তিনি জানান।

সিরিয়ায় ২০১১ সালে বিদেশি মদদে সহিংসতা চাপিয়ে দেয়ার আগে থেকেই দেশটির তারতুসে একটি নৌঘাঁটি এবং হামিমিমে একটি বিমান ঘাঁটি ছিল রাশিয়ার। তবে সিরিয়ার আহ্বানে সাড়া দিয়ে ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বর মাস থেকে দেশটির সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে রাশিয়া।

আন-নুসরা ফ্রন্ট ও দায়েশের মতো জঙ্গি গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে রাশিয়া বিমান হামলা চালানোর পাশাপাশি দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। ইরান সন্ত্রাস বিরোধী এই যুদ্ধে সরাসরি অংশগ্রহণ না করলেও সিরিয়ার সেনাবাহিনীকে সামরিক পরামর্শ দিয়ে সাহায্য করে।

গত ১৯ নভেম্বর সিরিয়ার সেনাবাহিনী সেদেশের পূর্বাঞ্চলীয় দেইর আজ-জোর প্রদেশের বুকামাল শহরটি দায়েশের হাত থেকে পুনরুদ্ধার করে। বুকামাল ছিল সিরিয়ায় দায়েশের সর্বশেষ ঘাঁটি। এটির পতনের ফলে সিরিয়া পুরোপুরি দায়েশ সন্ত্রাসীমুক্ত হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিকে ইহুদিবাদী ইসরাইলের অনুকূলে নিয়ে যাওয়ার জন্য সৌদি আরব, আমেরিকা ও তাদের আঞ্চলিক মিত্রদের সহযোগিতায় ২০১১সালের মার্চ মাসে সিরিয়ায় ভয়াবহ সন্ত্রাসবাদ চাপিয়ে দেয়া হয়েছিল।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here