ভাবতেই পারেন, ডিমের এই আক্রার বাজারে এক নতুন রসিকতা শুরু করল সংবাদমাধ্যম। কিন্তু ধার্মিক কারণে এত দিন আপনি ডিম বিচার করে খেলেও তথ্য বলছে তার প্রয়োজন ছিল না। কেন না, ডিমকে আপনি ফেলতেই পারেন নিরামিষের দলে।

কেন, তা জেনে নিন এ বার এক এক করে!

আমিষের সংজ্ঞা:

আমিষ আমরা তাকেই বলি, যার মধ্যে মাংস থাকে। বা আরও একটু স্পষ্ট করে বললে প্রাণ থাকে। এখন ডিমের মধ্যে যে মাংস থাকে না, তা তো লেখাই বাহুল্য!

হিসেব নিষেক:

আর প্রাণ? বিশ্বাস করুন, তা-ও থাকে না। কেন না, আজকাল আমরা কেউই দেশি ডিম বড়ো একটা খাই না। এ ব্যাপারে পোলট্রিই আমাদের ভরসা। আর ফার্মে যে ডিম উৎপাদন হয়, তা বৈজ্ঞানিক ভাবে তৈরি। সেখানে নিষেক হয় না। ফলে সেই অনিষিক্ত ডিম থেকে মুরগি জন্মানোর সম্ভাবনা থাকে না।

ডিম আসে কোথা থেকে:

হক কথা, মুরগি বা হাঁস এক জীবন্ত প্রাণী, খাদ্যের সংজ্ঞায় আমিষ। কিন্তু তাদের শরীর থেকে বেরোনো ডিম আমিষ নয়। কেন না, ডিম বেরোনোর পর হাঁস বা মুরগি মরে যায় না। যেমনটা মাছের ডিমের ক্ষেত্রে হয়ে থাকে।

ডিমের তিন ভাগ:

ডিমের তিনটি ভাগ থাকে। খোলা, সাদা অংশ এবং কুসুম। খোলা তো ক্যালসিয়াম, কাজেই আমিষ নয়। আর সাদা অংশটা প্রোটিন আর জলের মিশ্রণ। তাই বা তা হলে আমিষ হয় কী হিসেবে?

কুসুম বৃত্তান্ত:

আর কুসুম? উঁহু, ওটাও আমিষ নয়। ফ্যাট, কোলেস্টেরল, প্রোটিন আর জলের সমন্বয়ে তা তৈরি। এ বার কি তাহলে দ্বিধা কাটল?

তা হলে বলুন, কী বলবেন ডিমকে? আমিষ না নিরামিষ?

তথ্যসূত্র: খবর অনলাইন

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here