দরজায় কড়া নাড়ছে বিশ্বকাপ। আজ রাতেই হবে ড্র অনুষ্ঠান। এ নিয়ে ফুটবল অঙ্গনে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। রোমাঞ্চিত-শিহরিত ফুটবল অনুরাগীরা। এবারের বিশ্বকাপে কে কেমন করবে তা নিয়েও মতামত দিচ্ছেন সবাই। বাদ যাচ্ছেন না ফুটবল তারকারাও। তবে কোন দল কেমন করবে তা নিয়ে মাথা ঘামাচ্ছেন না নেইমার। মাথা ঘামাবেনই বা কেন? তার একমাত্র ফেবারিট তো নিজ দল ব্রাজিল।

নেইমার বলছেন, ‘২০১৮ রাশিয়া বিশ্বকাপ জেতার বড় সম্ভাবনা আছে ব্রাজিলের। দলে রয়েছে একঝাঁক তরুণ মেধাবী ফুটবলার। যারা সেরাটা দেয়ার জন্য মুখিয়ে আছেন। বিশ্ব ফুটবলে ফের সেলেকাওদের পতাকা উড়বে।’

ব্রাজিল ফরোয়ার্ড এমন আত্মবিশ্বাসে ভুগছেন দলের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সের কারণেই। কনমেবল অঞ্চল থেকে সবার আগে বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করেছে দলটি। প্রস্তুতি ম্যাচগুলোতেও দারুণ করছে।

তিনি বলেন, ‘গেলো বিশ্বকাপটা আমাদের দুঃস্বপ্নের মতো কেটেছে। এবার সেই ক্ষতে প্রলেপ দিতে চাই। দলের সবাই যেভাবে জোটবদ্ধ হয়ে খেলছে তার ধারাবাহিকতা থাকলে তা সম্ভব।’

ঘরের মাঠে ২০১৪ বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনালে জার্মানির কাছে ৭-১ গোলের লজ্জার হার বরণ করে ব্রাজিল। তারপর থেকে দলটির প্রতি সবার আস্থা উবে যায়। অনেকে তো বলাবলিও শুরু করেছিলেন, পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের সময় শেষ।

নেইমারের মতে, ‘অবশ্য সেই ভরাডুবি ভুলবার নয়। তবে তা অতীত হয়ে গেছে। ব্রাজিলের প্রতি মানুষের আস্থা ফের ফিরে এসেছে। সবাই সম্মান করছে। আমাদের সুদিনের পালে হাওয়া লেগেছে। আগামী বিশ্বকাপে আমরাই ফেবারিট। আসছে ফুটবলের সবচেয়ে বড় মহাযজ্ঞে আমরা কাউকেই ভয় পাই না।’

গেলো বিশ্বকাপে দলের ভরাডুবির জন্য এখনো অনুশোচনায় ভুগছেন পিএসজি তারকা। ইনজুরির কারণে জার্মানদের বিপক্ষে ম্যাচে ছিলেন না তিনি। পরে যা ঘটেছে তা কুরে কুরে খাচ্ছে তাকে। এবার এমনটি হবে না বলেও ভক্ত-সমর্থকদের আশ্বস্ত করেছেন। একইসঙ্গে সোনার ট্রফির জন্য উজাড় করে দিতে চাইলেন নিজেকে।

চলতি বছর ফর্মের উতুঙ্গে থাকা এই ফুটবলরার বললেন, ‘তা ছিল চরম বেদনাদায়ক। গোটা এক সপ্তাহ ধরে সেই বেদনা বয়ে বেড়াতে হয় আমাকে। তবে সময় পাল্টেছে। সেই ঘটনা আমাকে মানসিকভাবে আরো শক্তিশালী করেছে। আগামী বিশ্বকাপ ব্রাজিলিয়ানদের জন্য বিশাল সুযোগ। বিশেষ করে আমার জন্য। সেটি জিততে নিজের সর্বোচ্চটুকু ঢেলে দেব।’

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here