টানা তিন জয়ে টুর্নামেন্ট শুরু, অর্জন ৬ পয়েন্ট। পরের ৭ ম্যাচে অর্জন কেবল এক পয়েন্ট, সেটিও বৃষ্টিতে ম্যাচ ভেসে যাওয়ার কল্যাণে। তাতে শেষ চারের হিসাব অনেকটা জটিল হয়ে উঠেছিল নাসিরদের। টুর্নামেন্টের শেষলগ্নে এসে দারুণ এক জয়ে শেষ চারের সেই আশাই আবার জাগিয়ে তুলল সুরমাপাড়ের দলটি। রোববার চিটাগং ভাইকিংসকে ১০ উইকেটে উড়িয়ে দিয়েছে সিলেট সিক্সার্স।

রংপুর রাইডার্স যদি নিজেদের শেষ দুই ম্যাচে হারে, আর সিলেট শেষ ম্যাচে জেতে, তাতে সেরা চারের দরজা খুলে যাবে সিলেটের। আপাতত ১১ ম্যাচে ৯ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্টে টেবিলের পাঁচে আছে নাসিররা। রংপুর ১০ ম্যাচে ১০ পয়েন্টে টেবিলের চারে।

এর আগে এবারের আসরের সর্বনিম্ন স্কোর গড়ে অলআউট হয় তলানিতে থাকা চিটাগং ভাইকিংস। রবিবার সিলেট সিক্সার্সের বিপক্ষে খেলতে নেমে ধস ছিল চিটাগংয়ের ব্যাটিংয়ে। এক নাসির হোসেনের স্পিনেই ঘায়েল ছিল তারা।  মাত্র ১২ ওভারে তারা গুটিয়ে গেছে ৬৭ রানে। যা ছিল বিপিএলের চতুর্থ সর্বনিম্ন স্কোর!

ঢাকা পর্বে আজ খেলতে নেমে শুরু থেকে আসা-যাওয়ার মিছিল ছিল চিটাগংয়ের ব্যাটসম্যানদের। দ্বিতীয় বলে লুক রনকিকে ফিরিয়ে যার শুরুটা করেছিলেন নাসির হোসেন। এরপর থেকেই ছিল আসা-যাওয়ার মিছিল। মাত্র তিনজন ছিলেন ডাবল ফিগারে। তবে টি-টোয়েন্টির বিচারে তা ছিল খুবই বেমানান। বাজে শট নির্বাচন ছিল তাদের এই আত্মসমর্পণের কারণ। লুইস রাইস ১২, ভ্যান জিল ১১ ও ইরফান শুক্কুর খেলেন ১৫ রানের ইনিংস।

নাসির হোসেন একাই ৫ উইকেট নেন ৪ ওভারে ৩১ রান দিয়ে। টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে এটাই তার প্রথম ৫ শিকার। এছাড়া ৩ ওভারে ৭ রান দিয়ে ৩টি নেন বাঁহাতি স্পিনার নাবিল সামাদ। দুটি নেন শরিফুল্লাহ।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here