মাছি ৬০০য়ের বেশি বিভিন্ন ধরনের রোগজীবাণু বহন করে বলে দাবি করছেন গবেষকরা। ঘরের মাছি আর নীল মাছির ডিএনএ বিশ্লেষণ করে আমেরিকান গবেষকরা এ তথ্য দিয়েছেন।

সম্প্রতি সায়েন্টিফিক রিপোর্ট নামে একটি সাময়িকীতে গবেষণাটি প্রকাশিত হয়। এতে বলা হচ্ছে, রোগজীবাণু ছড়ানোর জন্য মাছি কতটা দায়ী সে বিষয়ে জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তারা যথেষ্ট ওয়াকিবহাল নন।

গবেষণায় দেখা গেছে, ঘরের মাছি যা পৃথিবীর বিভিন্ন দেশেই রয়েছে তা ৩৫১ ধরনের রোগজীবাণু বহন করতে সক্ষম। অন্যদিকে নীল মাছি যা দেখা যায় মূলত গরম দেশে, তা ৩১৬ ধরনের রোগজীবাণু বহন করে। এর মধ্যে বেশিরভাগ জীবাণুই দুই ধরনের মাছি বহন করে।

পরীক্ষায় ডিএনএ বিন্যাস পদ্ধতি ব্যবহার করে ঘরের মাছি ও নীল মাছির শরীর থেকে সংগ্রহ করা আণুবীক্ষণিক জীবাণু পরীক্ষা করে দেখা হয়। গবেষণাটিতে দেখা গেছে, মাছি তার প্রত্যেকটি পদচারণায় লাইভ জীবাণু ছড়াতে সক্ষম। এর মধ্যে অনেক জীবাণু মানুষের শরীরে সংক্রমণের জন্য দায়ী, যার মধ্যে রয়েছে রক্তে বিষক্রিয়া ঘটায় এমন জীবাণু, পেটের অসুখের জন্য দায়ী জীবাণু এবং নিউমোনিয়ার জীবাণু।

প্রফেসর ব্রায়ান্ট বলেন, “খোলা জায়গায় অনেকক্ষণ পড়ে থাকা খাবারটা খাবেন কি-না সেটা আপনাকে গুরুত্ব দিয়ে ভাবতে হবে।“

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here