নেইমারের জোড়া গোলে লিগ ওয়ানে রেনকে ৪-১ গোলে হারিয়েছে প্যারিস সেন্ট জার্মেই (পিএসজি)। একভাবে প্রত্যাবর্তনের ম্যাচ ছিল নেইমারের। আর ফিরে আগুনে ফর্মে দলকে জেতালেন ব্রাজিলীয় এই ফরোয়ার্ড।

নিষিদ্ধ হওয়ায় গত সপ্তাহে খেলতে পারেননি লিলের বিপক্ষে। এছাড়া খেলতে পারেননি লিগ কাপেও। অবশেষে ফিরে খেলার চার মিনিটেই দলকে এগিয়ে নেন।

শনিবার রেনেঁর মাঠে নড়েচড়ে বসার আগেই স্বাগতিকদের কাঁপিয়ে দিয়েছেন নেইমার। ম্যাচের মাত্র চতুর্থ মিনিটে কাইলিয়ান এমবাপের সঙ্গে দারুণ বোঝাপড়ার পর স্বাগতিক গোলরক্ষককে বোকা বানিয়ে জাল খুঁজে নেন ব্রাজিলিয়ান তারকা ফরোয়ার্ড।

প্রথম গোলের ধাক্কা সামলানোর আগেই রেনেঁর জালে আবারও পিএসজির গোল। ১৭ মিনিটে দারুণ এক পাসে এমবাপেকে দিয়ে গোল করিয়ে প্রথম গোলের ঋণ শোধ করেন নেইমার।

বিরতির চার মিনিট আগে দলের তৃতীয় গোল প্রায় পেয়েই গিয়েছিলেন এডিনসন কাভানি। এমবাপের পাসে উরুগুয়ে ফরোয়ার্ডের ফ্লিক গোললাইন থেকে ফিরিয়ে দেন রেনেঁর খেলোয়াড়রা।

মধ্যবিরতি থেকে ফিরেও ধার ধরে রাখে পিএসজি। ৪৯ মিনিটে নেইমারের বাকানো শট ঝাঁপিয়ে পড়ে ঠেকান স্বাগতিক গোলরক্ষক কৌবেক। পরে ম্যাচের ৫৩ মিনিচে স্বাগতিকদের হয়ে একটি গোল শোধ করে দেন ফরোয়ার্ড মুবেলে এনডোমবে।

ম্যাচের ৬৪ মিনিটে দুই হলুদ কার্ডের জেরে লালকার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয় রেনেঁ মিডফিল্ডার বেঞ্জামিন আন্দ্রেকে। দশজনের রেনেঁকে পরে আরও চেপে ধরে পিএসজি। ফলাফলে ৭৫ মিনিটে কাভানির গোল। নেইমারের নিখুত ক্রসে গোলরক্ষককে বোকা বানিয়ে চলতি লিগে নিজের ১৮তম ও সর্বোচ্চ গোলটি আদায় করেন উরুগুয়ে তারকা।

এক মিনিট পরেই আবারও নেইমার ম্যাজিক। দুই সতীর্থকে দিয়ে দুই গোল করানোর পর ৭৬ মিনিটে এমবাপের দূরপাল্লার পাসে ম্যাচে নিজের জোড়া গোল আদায় করেন ব্রাজিলিয়ান তারকা।

শেষদিকে রেনেঁর সুযোগ ছিল ব্যবধান কমানোর। অতিরিক্ত সময়ে পেনাল্টি পেয়েও তা বার উঁচিয়ে মেরে দলকে বড় লজ্জায় ডোবান ওয়াহবি খাজরি।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here