অস্ট্রেলিয়া জয়ের সুবাস পেয়েছিল চতুর্থ দিনেই। ইনিংস হার এড়াতে শেষ দিনে ইংল্যান্ডের প্রয়োজন ছিল ১২৭ রান। অ্যাশেজ পুনরুদ্ধার করতে অস্ট্রেলিয়ার দরকার ছিল ৬ উইকেট। ইংল্যান্ডের শেষ ৬ উইকেট তুলে নিতে অস্ট্রেলিয়ার লাগল মাত্র এক সেশন। পার্থ টেস্টে ইনিংস ও ৪১ রানে জিতেছে স্টিভ স্মিথের দল। তাতে দুই ম্যাচ আগেই ৩-০ ব্যবধানে অ্যাশেজ অস্ট্রেলিয়ার।

ম্যাচ এত দূর গড়ায় মূলত বৃষ্টির কারণে। চতুর্থ দিন আধা সেশন ভেসে যাওয়ার পর শেষদিনও লাঞ্চ পর্যন্ত বৃষ্টিবাধায় খেলা শুরু হতে পারেনি। লাঞ্চের পর মালান (৫৪) প্রতিরোধ গড়েও ম্যাচ বাঁচাতে পারেননি।

পাঁচ কিংবা তার বেশি ম্যাচের অ্যাশেজ সিরিজের ইতিহাসে এই নিয়ে দশবার তৃতীয় টেস্টে সিরিজ নিষ্পত্তি হল। যার মধ্যে ৯ বার জয়ী অস্ট্রেলিয়া। এভাবে ইংল্যান্ড সিরিজ জিততে পেরেছিল একবার, সেটা ১৯২৮-২৯ মৌসুমে।

এই ম্যাচ অস্ট্রেলিয়া হারবে না সেটা বোঝা গিয়েছিল চতুর্থদিন থেকে। ইংল্যান্ড প্রথম ইনিংসে ৪০৩ করার পর অস্ট্রেলিয়া ৬৬২ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে। ২৫৯ রানের লিড হজম করে ইনিংস হারের শঙ্কায় পড়ে ইংলিশ বাহিনী।

শনিবার বৃষ্টির আগে ৪ উইকেটে ১৩২ রান করে ইংল্যান্ড। ইনিংস হার এবং ম্যাচ বাঁচাতে আজ ৬ উইকেট হাতে নিয়ে আরও ১২৭ রান করতে হতো।

সকালে মাঠ ভেজা থাকায় খেলা শুরু করতে দেরি করেন আম্পায়াররা। এর ভেতর আবার বৃষ্টি নামে। বৃষ্টির ভেতর লাঞ্চ পেরিয়ে যায়। তারপর আরেক দফা বৃষ্টি। ওই বৃষ্টি শেষ পর্যন্ত আর ঢাল হয়ে দাঁড়াতে পারেনি। এক সময় ইংল্যান্ডকে মাঠে নামতেই হয়।

শুরুতে প্রতিরোধের চেষ্টা করেন মালান। ২৮ রানে অপরাজিত থাকা ব্যাটসম্যান ১১৩ বল খেলে অর্ধশতকে পৌঁছান। তাকে রেখে একে একে ফিরে যান ব্যারিস্টো (১৪), মঈন আলী (১১)। শেষ পর্যন্ত মালান ফেরেন হ্যাজেলউডের কাছে পরাস্ত হয়ে। ১৩৫ বলের যাত্রায় ৫৪ রান করেন।

মালন ফিরতেই ধীরে ধীরে ইংলিশদের আশা শেষ হতে শুরু করে। ওভারটন (১২) ২১টি বল খেলতে পারেন। ব্রড (০) খেলেন ৬ বল। এরপর ওকস (৪৮ বলে ২২) আর অ্যান্ডারসনের (৭ বলে ১*) লড়াই স্থায়ী হয় ২৭ বল পর্যন্ত। যেখানে সিরিজে টিকে থাকতে খেলতে হতো ২৪০ বল।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here