মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নামে নতুন নিরাপত্তা নীতি ঘোষণা করেছেন এবং তাতে তিনি পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের বিষয়ে ইঙ্গিত দিয়েছেন। সোমবার নতুন নিরাপত্তা নীতি ঘোষণার সময় ট্রাম্প দাবি করেন, আমেরিকার বিরুদ্ধে আগ্রাসন প্রতিহত করে শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষা করা হচ্ছে তার দেশের নিরাপত্তা নীতির ভিত্তি। এ নীতির আওতায় সন্ত্রাসবাদ-বিরোধী লড়াই ও সীমান্ত ব্যবস্থাপনাসহ বেশ কিছু ইস্যুতে মার্কিন নাগরিকদের স্বার্থ থাকবে সবার ঊর্ধ্বে।

পরমাণু বহির্ভূত কৌশলগত হামলার বিষয়ে সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা যে নীতি গ্রহণ করেছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প সেখান থেকেও সরে গেছেন। তিনি তার নতুন নীতিতে পরমাণু অস্ত্রের ভূমিকাকে আমেরিকার জন্য মৌলিক বলে আখ্যা দিয়েছেন ট্রাম্প।

তিনি বলেছেন, যদিও পরমাণু অস্ত্র সব সংঘাত প্রতিহত করতে পারে না তবে পরমাণু হামলাসহ বড় রকমের যেকোনো হামলা ঠেকানোর জন্য এগুলো জরুরি। এ ঘোষণায় ট্রাম্প চীন ও রাশিয়ার বেড়ে চলা প্রভাব নিয়েও কথা বলেছেন এবং সারা বিশ্বে আমেরিকার প্রভাব কমে যাওয়ার জন্য আগের প্রেসিডেন্টকে দায়ী করেছেন। ট্রাম্প বলেছেন, রাশিয়া ও চীনের সঙ্গে প্রতেযাগিতার কারণে আমেরিকার নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে।

ট্রাম্পের সম্ভাব্য নীতি নিয়ে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে যেসব জল্পনা চলছিল তার চেয়ে অনেক বেশি ইঙ্গিত সম্বলিত নিরাপত্তা নীতি তিনি ঘোষণা করেছেন এবং ধারণা করা হচ্ছে নতুন করে স্নায়ুযুদ্ধ ফিরে আসবে। পাশাপাশি ট্রাম্পের এ নীতি ঘোষণা ও পরমাণু অস্ত্রের ব্যবহারের বিষয়ে ইঙ্গিত থেকে এ প্রশ্নও উঠছে যে, তাহলে আমেরিকা কী পরমাণু যুদ্ধের পথে পা বাড়াচ্ছে?

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here