মিসরের কিংবদন্তি রাণী ক্লিওপেট্রাকে নিয়ে আবার তৈরী হবে ছবি। গত সেপ্টেম্বরে ‘ব্লেড রানার ২০৪৯’-এর নির্মাতা দেনি ভিলনোভ এই ঘোষণা দিয়েছিলেন।  সনি পিকচার্সের ব্যানারে নির্মিতব্য এই ছবিটিতে রানী ক্লিওপেট্রা কে হবেন, সে বিষয়ে তিনি এখনো মুখ খোলেননি। ছবিটি প্রযোজনা করছেন স্কট রুডিন ও অ্যামি প্যাসকাল। এর চিত্রনাট্য মার্কিন লেখিকা স্টেসি স্কিফের উপন্যাস ‘ক্লিওপেট্রা: আ লাইফ’-এর অবলম্বনে লেখা হচ্ছে। চিত্রনাট্য তৈরি করছেন ডেভিড স্কারপা, এরিক রথ ও ব্রায়ান হেলগেল্যান্ড। স্কারপা এর আগে রিডলি স্কটের ‘অল দ্য মানি ইন দ্য ওয়ার্ল্ড’-এর চিত্রনাট্য লিখেছিলেন।

ক্লিওপেট্রাকে নিয়ে নতুন এ ছবি কেমন হবে, তা সম্প্রতি স্কারপা হলিউড রিপোর্টারকে জানালেন। স্কারপার ভাষায়, ‘অল দ্য মানি ইন দ্য ওয়ার্ল্ড’র মতোই এটার (ক্লিওপেট্রা) জন্য প্রচুর গবেষণা করতে হয়েছে। অন্যসব প্রশ্নের সাথে সবসময়ই একটি প্রশ্ন এখানে ঘুরে-ফিরে এসেছে, কীভাবে আপনি এটা করবেন এবং এর মধ্যে নতুনত্ব কী থাকবে। গেটির (রিডলি স্কটের ছবির চরিত্র) ক্ষেত্রে এমন দুই ধরনের চিন্তাধারাকে নিতে হয়েছিল, যা সাধারণত আমরা ভেবে থাকি আমাদের পরিচিত।

এর একটি অপহরণকারীর এবং অন্যটি আমরা যাকে বলি মহান ব্যক্তি, তার চিন্তাধারা। এ দুই ধারাকে একত্রে ধ্বংস করে এর মধ্য থেকে নতুন কিছু বের করতে হয়েছিল। ক্লিওপেট্রা ছবির ক্ষেত্রে, গতানুগতিকভাবে অন্য ছবিতে যেমন থাকে- ৩ ঘণ্টার ছবি, জাঁকজমক দৃশ্য, পেছনে পাখা নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষ, ভিন্ন ভঙ্গিতে ইংরেজি উচ্চারণ এবং এ ধরনের অন্যান্য বিষয় থাকে, যা এখানে রাখা হয়নি।

আমরা একে রাজনৈতিক থ্রিলার হিসেবে দেখেছি। এর মধ্যে দেখা যাবে নোংরামি, রক্তাক্ত দৃশ্য, প্রচুর মানুষ একে অন্যকে গালাগাল করছে, যৌনাচারে মেতে উঠছে ও এ রকম অনেক কিছুই আছে, যা একে ২ ঘণ্টার শীর্ণ ও নীচ রাজনৈতিক থ্রিলারে পরিণত করেছে। যেখানে গুপ্তহত্যার ঘটনা রয়েছে অনেক। সাধারণত একটি ছবি যেভাবে এগোয়, তার ঠিক বিপরীত দিকেই আমরা একে নিয়ে গেছি।’

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here