প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়েছে। গতবার এই পরীক্ষায় প্রায় শতভাগ পাস করলেও এবার পাসের হার কিছুটা কমেছে। এবার প্রাথমিকে পাসের হার ৯৫.১৮, যা গতবার ছিল ৯৮.৫১ শতাংশ।

অন্যদিকে ইবতেদায়িতে এবার পাসের হার ৯২.৯৪ শতাংশ। গতবার ছিল ৯৫.৮৫ শতাংশ।

শনিবার বেলা ১১টায় গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে এই ফলাফল তুলে দেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজার রহমান ফিজার।

পাসের হারের পাশাপাশি কমেছে জিপিএ ফাইভের সংখ্যাও। প্রাথমিকে এবার জিপিএ ফাইভ পেয়েছে দুই লাখ ৬২ হাজার ৬০৯ জন। গতবার এই সংখ্যাটি ছিল দুই লাখ ৮১ হাজার ৮৯৮ জন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সার্বিক ফলাফলে সন্তোষ প্রকাশ করেন। এজন্য তিনি সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানান।

দুপুর ১টার দিকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনীর ফলাফলের বিস্তারিত প্রকাশ করবেন।

গত ১৯ থেকে ২৬ নভেম্বর অনুষ্ঠিত প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি সমাপনী পরীক্ষায় ৩০ লাখ ৯৬ হাজার ৭৫ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এরমধ্যে প্রাথমিক সমাপনীতে ২৮ লাখ চার হাজার ৫০৯ জন এবং ইবতেদায়িতে দুই লাখ ৯১ হাজার ৫৬৬ জন। দেশের সাত হাজার ২৬৭টি এবং বিদেশের ১২টি কেন্দ্রে মোট ছয়টি বিষয়ে প্রতিটিতে ১০০ করে মোট ৬০০ নম্বরে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মোবাইলে ফল জানতে : যেকোনো মোবাইল ফোন থেকে DPE লিখে স্পেস দিয়ে থানা/ উপজেলার কোড নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে ২০১৭ লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠিয়ে ফিরতি এসএমএসে প্রাথমিক সমাপনীর ফল জানা যাবে।

আর ইবতেদায়ির ফল পেতে EBT লিখে স্পেস দিয়ে থানা/ উপজেলার কোড নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে ২০১৭ লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে।

এই এসএমএস লেখার সময় সরকারি অথবা রেজিস্টার্ড বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের EMIS কোড নম্বরের প্রথম পাঁচ সংখ্যা উপজেলা/ থানা কোড হিসেবে ব্যবহার করতে হবে; যা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের ওয়েবসাইট, সংশ্লিষ্ট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস, উপজেলা/ থানা শিক্ষা অফিস ও প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে জানা যাবে। এ ছাড়া প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের ওয়েবসাইট এবং টেলিটকের ওয়েবসাইট থেকেও প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি সমাপনীর ফল জানা যাবে।

অন্য দিকে যেকোনো মোবাইল থেকে JSC/JDC লিখে স্পেস দিয়ে নিজ বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে ২০১৭ লিখে এসএমএস করলে ফিরতি এসএমএসে জেএসসি/ জেডিসির ফল জানিয়ে দেয়া হবে।

এ ছাড়া শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইট এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট থেকেও জেএসসি-জেডিসির ফল জানা যাবে।

সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে ই-মেইলেও জেএসসি-জেডিসির ফলাফলের সফটকপি পাঠাবে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ড। প্রয়োজনে এদের কাছ থেকেও ফলাফলের কপি সংগ্রহ করা যাবে বলে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটি জানিয়েছে।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here