বাংলাদেশ দলের সঙ্গে সময়টা চন্ডিকা হাথুরুসিংহের কেটেছে মাত্র তিন বছর। এরমধ্যেই তার অধীনে টাইগাররা পেয়েছে নিজেদের ক্রিকেট ইতিহাসে সর্বোচ্চ সাফল্য। যদিও এখন আর মাশরাফি বিন মুর্তজা-সাকিব আল হাসানদের দায়িত্বে নেই হাথুরু। তবে শিষ্যদের সঙ্গে কাজ করার সময় অনেক স্মৃতিই এখন মনে পড়ছে লঙ্কান এ কোচের। তার মধ্যে একটি ঘটনা ছিল ক্রিকেট মাঠের বাইরে। যা এখনো ভুলতে পারেননি তিনি।

কয়েকদিন আগেই শ্রীলঙ্কা দলের কোচের দায়িত্ব নিয়েছেন হাথুরু। এরইমধ্যে লঙ্কানদের সঙ্গে কাজও শুরু করে দিয়েছেন। তবে বাংলাদেশের কোচ থাকাকালিন সময়ের একটা স্মৃতি এখনো ভুলতে পারছেন না তিনি। এ নিয়ে এক সাক্ষাতকারে হাথুরু বলেন, ‘অনেক ঘটনা আমাকে এখনও নাড়া দেয়। সবচেয়ে বড় আত্মতৃপ্তির ব্যাপার হল, আমি একদিন সিডনির ওয়েস্টফিল্ড শপিং সেন্টারে কেনাকাটা করছিলাম। একটা লোক এসে আমাকে জড়িয়ে ধরে। আমি ভয় পেয়ে তাকে সরিয়ে দেই। তারপর সে আমার দিকে ঘুরে বলে- দেখ আমি বাংলাদেশি। তুমি যা করেছ, তার জন্য আমাদের অফিসে মাথা উঁচু হয়ে গেছে, তার ওই কথাগুলো আমাকে খুব শান্তি দিয়েছিল। বাংলাদেশ ক্রিকেটের সঙ্গে থেকে এগুলো আমার জন্য অর্জন। একই ব্যপার আমাদের জন্যও ছিল ১৯৯৬ বিশ্বকাপের আগ পর্যন্ত। বিশ্বকাপ জয় আমাদের জন্য খ্যাতি বয়ে আনে।’

শ্রীলঙ্কার মাটিতে বাংলাদেশ জিতেছিল শততম টেস্ট। যে ম্যাচটি ছিল হাথুরুর জন্য সবথেকে বড় অর্জন, ‘আমার মতে বাংলাদেশকে আমার যতটুকু দেওয়ার দরকার ছিল ততটুকু আমি দিতে পেরেছি। আর ওই ম্যাচটি আমার জন্য ছিল বেশ আবেগপ্রবণ। ওভাল আমার জন্য বিশেষ একটি জাগয়া। ম্যাচটি বাংলাদেশেরও শততম টেস্ট ম্যাচ ছিল। শ্রীলঙ্কার মাটিতে শ্রীলঙ্কাকে হারানো অনেক বড় সাফল্য। ঘরের মাঠে শ্রীলঙ্কা শক্তিশালী প্রতিপক্ষ। এজন্য ব্যক্তিগতভাবে আমি বেশ খুশি।’

শ্রীলঙ্কার কোচ হয়ে জানুয়ারিতেই ত্রি-দেশিয়, টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি সিরিজে অংশ নিতে বাংলাদেশে আসবেন হাথুরুসিংহে। পুরোনো শিষ্যদের বিপক্ষে ভালো কিছু করতেই বেশ আগে থেকেই লঙ্কানদের টিপস দিচ্ছেন তিনি। তাতে অবশ্য ভীত নয় টিম টাইগার্স।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here