বাংলাদেশের ৫১৩ রানের জবাবে প্রথম ইনিংসে ৩ উইকেটে ৫০৪ রানে তৃতীয় দিনের খেলা শেষ করেছে শ্রীলঙ্কা। দিনেশ চান্ডিমাল ৩৭ ও রোশেন সিলভা ৮৭ রানে খেলছেন। সফরকারীরা পিছিয়ে মাত্র ৯ রানে, হাতে আরও ৭ উইকেট।

দ্বিতীয় দিন মাঠে নামার পর থেকে দাপট দেখানো ধনঞ্জয়া ও কুশলকে তৃতীয় দিনের দ্বিতীয় সেশনে ফেরায় বাংলাদেশ। ৭ ঘণ্টা ক্রিজে থেকে বাংলাদেশের গলার কাঁটা হয়ে ছিলেন কুশল। নিজের ২৩তম জন্মদিনটা রাঙানোর পথে ছিলেন তিনি। কিন্তু আক্ষেপ নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় তাকে। মাত্র ৪ রানের জন্য প্রথম ডাবল সেঞ্চুরিটা হলো না শ্রীলঙ্কার ওপেনারের।

তাইজুল ইসলামের বলে মুশফিকুর রহিমের ক্যাচ হন কুশল। ৩২৭ বলে ২২ চার ও ২ ছয়ে ১৯৬ রান করেন তিনি।

তৃতীয় দিনের প্রথম উইকেট নিলেন মোস্তাফিজ। দ্বিতীয় দিনে প্রথম উইকেট হারানোর পর বাংলাদেশের বড় বাধা হয়ে দাঁড়ান তারা দুজন। প্রায় তিন সেশন দাপট দেখানো এই জুটি দ্বিতীয় সেশনে ভেঙেছিলেন মোস্তাফিজুর রহমান। দ্বিতীয় উইকেটে ৩০৮ রান করেছিলেন তারা। ধনঞ্জয়াকেও ডাবল সেঞ্চুরি করতে দেয়নি বাংলাদেশ। তবে আক্ষেপটা বেশি কুশলের, কারণ ৪ রান দূরে ছিলেন তিনি। রোশেনের সঙ্গে ১০৭ রানের জুটি গড়ে ফিরতে হয়েছে তাকে। আগের ১৯৪ রানের সেরা ইনিংসকে পেছনে ফেললেও আরেকবার ব্যর্থ হলেন ডাবল সেঞ্চুরি করতে।

কুশলের সঙ্গে তিনশ ছাড়ানো জুটি গড়ার পথে ১৭৩ রান করেন ধনঞ্জয়া। ডাবল সেঞ্চুরির হাতছানি দিচ্ছিল তাকে। কিন্তু দ্বিতীয় সেশনের শুরুতেই নতুন বলের ফায়দা নিলো বাংলাদেশ। তাকে উইকেটরক্ষক লিটন দাসের ক্যাচ বানান মোস্তাফিজ। ২২৯ বলের ইনিংসে ধনঞ্জয়ার ছিল ২১ চার ও ১ ছয়।

এর আগে তিনশ ছাড়ানো জুটিতে তৃতীয় দিন সেঞ্চুরি পেয়েছেন কুশল। ২০০ বলে ১০ চার ও ১ ছয়ে ক্যারিয়ারে চতুর্থবার ১০০ করেন তিনি।

শুক্রবার ১ উইকেটে ২৯৫ রানের জুটিতে প্রথম সেশন শেষ করে শ্রীলঙ্কা। তার আগেই বাংলাদেশের বিপক্ষে দ্বিতীয় উইকেটে সর্বোচ্চ জুটির রেকর্ড গড়েন কুশল ও ধনঞ্জয়া। ২০০২ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার গ্রায়েম স্মিথ ও গ্যারি কার্স্টেনের ২৭২ রানের জুটি ছিল বাংলাদেশের বিপক্ষে সর্বোচ্চ।

দ্বিতীয় দিন রানের খাতা খোলার আগেই শ্রীলঙ্কার উদ্বোধনী জুটি ভেঙেছিল বাংলাদেশ। কিন্তু ধনঞ্জয়া ও কুশলের ১৮৭ রানের জুটিতে হতাশায় দিনটা শেষ করেছিল স্বাগতিকরা। তাদের এই শক্ত জুটি ভাঙার লক্ষ্যে শুক্রবার তৃতীয় দিনের খেলা শুরু করেছেন মাহমুদউল্লাহরা।

প্রথম ইনিংসে ১ উইকেটে ১৮৭ রানে খেলতে নেমেছে শ্রীলঙ্কা। কুশল ছিলেন ৮৩ রানে অপরাজিত, আর ১০৪ রানে তৃতীয় দিন খেলতে নেমেছিলেন ধনঞ্জয়া।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here