পূর্ব এশিয়ায় হাজার হাজার সেনা মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়- পেন্টাগন। মার্কিন দৈনিক ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল এ খবর জানিয়ে বলেছে, চীনের বিরুদ্ধে একটি ফ্রন্ট খোলার লক্ষ্যে ওয়াশিংটন এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

পরিকল্পনায় বলা হয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন শিগগিরই সেদেশের মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিট বা এমইইউ’কে পূর্ব এশিয়ায় মোতায়েন করার নির্দেশ দেবে।

এর ফলে ২,২০০ মেরিন সেনাকে তাদের নিজস্ব বিমান, ট্যাংক ও অন্যান্য ভারী অস্ত্রসস্ত্রসহ চীনের সীমান্তে মোতায়েন করা হবে। সাত মাস পরপর এসব সেনা পরিবর্তন করা হবে। এদের কিছু অংশকে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ ও আফগানিস্তানে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলো থেকে সংগ্রহ করা হবে।

এ ছাড়া, পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশে এর আগে থেকে আমেরিকার প্রায় এক লাখ সেনা মোতায়েন রয়েছে। এর মধ্যে জাপানে রয়েছে ৫০ হাজার, দক্ষিণ কোরিয়ায় প্রায় ৩০ হাজার এবং আমেরিকার প্রশান্ত মহাসাগরীয় গুয়াম দ্বীপের ঘাঁটিতে রয়েছে আরো ৭ হাজার মার্কিন সেনা।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের রিপোর্টে বলা হয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসন এরইমধ্যে পূর্ব এশিয়ায় চীন ও রাশিয়ার ক্রমবর্ধমান প্রভাব ঠেকানোর যে কৌশল গ্রহণ করেছে তারই অংশ হিসেবে এসব মেরিন সেনা মোতায়েন করা হবে।

চীনকে প্রতিহত করতে মার্কিন সরকার এর আগেই ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যিক ও সামরিক সহযোগিতা শক্তিশালী করেছে। আমেরিকা ও জাপানের সঙ্গে ভারত এরইমধ্যে নৌমহড়া শুরু করেছে যাতে শেষ পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়াও যোগ দেবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।

ভারতের সঙ্গে স্থলসীমান্ত নিয়ে চীনের মতবিরোধ রয়েছে। এ ছাড়া, পূর্ব চীন সাগরের একাধিক দ্বীপপুঞ্জের মালিকানা নিয়েও বেইজিংয়ের সঙ্গে পূর্ব এশিয়ার কিছু দেশের মতপার্থক্য রয়েছে।  মার্কিন সরকার পূর্ব এশিয়ায় নিজের প্রভাব বাড়ানোর জন্য এসব মতবিরোধকে মোক্ষম সুযোগ হিসেবে কাজে লাগানোর চেষ্টা করছে।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here