ইতালির রোম থেকে চার দিনের সরকারি সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার দেশে ফিরে আজ সোমবার সংবাদ সম্মেলনে এসেছেন তিনি।

একাদশ জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি আসবে কিনা এটা তাদের ব্যাপার; দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র রয়েছে তারা না এলেও সংবিধান অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জবাবে বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নির্বাচন না করলে কারও কিছু করার নেই, গতবারও করেনি। নির্বাচনে যদি না আসে, তাহলে আমাদের কিছুই করার নেই। নির্বাচন সময় মতোই হবে।

শেখ হাসিনা বলেন, এতিমের টাকা মেরে খেলে  শাস্তি, এটা আদালতও দেয়, আল্লাহর তরফ হতেও দেয়। আমাদের তো কিছু করে নাই।

তিনি বলেন, রায়টা তো আমি দিইনি, রায়টা দিয়েছে কোর্ট। মামলাটা করেছে কে? মামলা দিয়েছে ১/১১ সরকার। ফখরুদ্দীন-মইনুদ্দীন সরকার। ফখরুদ্দীনকে কে গভর্নর করেছিল? নয়জনকে ডিঙ্গিয়ে মইন উ আহমেদকে সেনাপ্রধান করেছিল বিএনপি। আর ইয়াজউদ্দীন তো তাদের ছিলই। মামলাটা তারা দিয়েছে।

এই মামলাটা ১০ বছর চলেছে। এই মামলায় তিন বার জজ পরিবর্তন হয়েছে, সময় চেয়েছে ১০৯ বার। বহু টালবাহানা আপনারা দেখেছেন। ২৬১ দিনের মতো তারিখ পড়ল। আপিল বিভাগে ২২ বার  রিট করা হয়েছিল। এত কিছুর পর তিনি মাত্র ৪৩ দিন কোর্টে হাজির হয়েছিলেন।

শেখ হাসিনা বলেছেন, ২০১৪ সালে নির্বাচন ঠেকানোর নামে তারা আগুন দিয়ে মানুষ পুড়িয়ে পুড়িয়ে হত্যা করেছে। গাড়িতে পেট্রোল বোমা মেরে মানুষ হত্যা করেছে। ২০১৩-১৫ পর্যন্ত তারা পাঁচশর মতো মানুষকে পুড়িয়ে হত্যা করেছে।

তিনি বলেন, আমাকে যখন জেলে নিয়ে গেল আমি জিল্লুর রহমানকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি করলাম। আমি আমার বোনকেও করিনি, ছেলেকেও করিনি।আর আমি কিছু বলতে চাই না। আমরা কিছু বললে তো অনেক দোষ।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, খালেদা জিয়ার রায় এবং বিএনপির গঠনতন্ত্র সংশোধন নিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, কোর্ট রায় দিয়েছে, আমাদের কিছু করার নেই। এরপরও দোষ আসে আমাদের উপর।

দেখুন কোর্টের রায়ের আগে ৭ ধারা সংশোধন করে ইসিতে সাবমিট করেছে।

বিএনপির একটি গঠনতন্ত্র আছে, ওটার কোনো খোঁজও পাওয়া যায় না। বিএনপিতে সব ক্ষমতা চেয়ারম্যানের হাতে, আমাদের গঠনতন্ত্রে তা নেই।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here