তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল বলেছেন, যারা ভূমিদস্যু তারা অন্যদের সম্পত্তি কেড়ে নিয়ে নিজেদের সুযোগ-সুবিধা তৈরি করতে অভ্যস্ত হয়ে যান। একসময়ে হিন্দুদের সম্পত্তি দখল করা শেষ হলে তারা প্রমোশন পেয়ে অন্যদের সম্পত্তিতে হাত বাড়ায়। কারণ, লুটেরার হাত কখনও থামতে জানে না। শাস্তি না দেওয়া হলে তাদের থামানো সম্ভব নয়। শনিবার সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

ডিআরইউ’র সাগর-রুনি মিলনায়তনে অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ আইনের জনবিরোধী বিধিমালা প্রণয়নের উদ্যোগের প্রতিবাদ এবং বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া দ্রুততর করার দাবিতে এই সংবাদ সম্মেলন করা হয়। অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ আইন বাস্তবায়ন জাতীয় নাগরিক সমন্বয় সেলভুক্ত কয়েকটি সংগঠন এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এক বক্তব্য উল্লেখ করে সুলতানা কামাল বলেন, “কিছুদিন আগে প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন ‘অনেক কিছুই করা যায় না, কারণ পাকিস্তানি মনোভাবের লোকজন দেশে রয়ে গেছে। সংস্কৃতির অনেক কিছুই প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হচ্ছে না।’ আমাদের অনুরোধ তিনি (প্রধানমন্ত্রী) যেন চারদিকে তাকিয়ে দেখেন কাদের মধ্যে পাকিস্তানি, সাম্প্রদায়িক মনোভাব রয়ে গেছে।”

তিনি বলেন, অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ শুধু যে হিন্দু সংখ্যালঘুদের সমস্যা, এমন নয়। হিন্দুরা যে অবস্থানে আছে সেখান থেকে তাদের সম্পত্তি কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। তাই যারা অন্যদের সম্পত্তি লুট করে তাদের থামানো প্রয়োজন। কিছু মানুষ সমস্ত মানুষের সম্পদ অপহরণ করে নিজেদের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করছেন বলেও অভিযোগ করেন সুলতানা কামাল।

সংবাদ সম্মেলনে এ সময় উপস্থিত ছিলেন- খুশি কবীর, অ্যাডভোকেট রানা দাশগুপ্ত, অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, কাজল দেবনাথ, শামসুল হুদা ও অ্যাডভোকেট তবারক হোসাইন প্রমুখ।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here