কনের বয়স ২৭। পাত্রের বয়স জানা নেই। জানার প্রয়োজনও মনে করেনি পাত্রী বা তার বাড়ির লোক। কারণ বিয়ে নামে সেই গোটা ব্যাপারটাই একটা প্রহসন মাত্র। যেখানে পাত্র এবং পাত্রপক্ষ, সবই নকল। সকলেই এসেছেন ভাড়ায়। এমনই ঘটনা প্রায়ই ঘটছে ভিয়েতনামের হ্যানয় শহরে।

সংবাদসংস্থার খবর অনুযায়ী, গত কয়েক বছরে এমন ভাড়া করা বিয়ের আয়োজন সংখ্যায় বেড়ে গেছে কয়েক গুণ। আসল বিয়ের মতোই, রীতিমতো প্যাকেজ পাওয়া যায় এমন ভাড়ার বিয়ের আয়োজনেও।

হ্যানয় শহরের ‘ভাইনামোস্ট’ সংস্থাটি বিয়ের আয়োজন সম্পন্ন করে থাকে। সংস্থার কর্ণধার নুয়েন জুয়ান থিয়েনের কথায়, হাজারেরও বেশি এমন বিয়ের আয়োজন করেছে তার সংস্থা। এবং প্রতিনিয়ত তা বেড়েই চলেছে।

কিন্তু ভিয়েতনামে এমন আয়োজনের প্রয়োজন হয় কেন? সংবাদসংস্থার খবর অনুসারে, ভিয়েতনামের সমাজ এখনও রক্ষণশীল। ফলে কুমারী কোন মেয়ে অন্তঃসত্ত্বা হলে, সে দেশের সমাজ, পরিবার তাকে হীন চোখেই দেখবে। এবং এই পরিস্থিতি এড়াতেই এমন নকল বিয়ের আয়োজন দিন দিন বেড়ে চলেছে ভিয়েতনামে।

ভাইনামোস্ট সংস্থার কর্ণধার নুয়েন জুয়ান থিয়েন জানিয়েছেন যে, তার ব্যবসা ফুলে ফেঁপে উঠছে ঠিকই, কিন্তু ব্যক্তিগতভাবে তিনি একেবারেই এই ব্যাপারটিকে সমর্থন করেন না। সমাজের চোখ রাঙানিকে ভয় করে যে মিথ্যাচার চলছে, তা ভাল ফল কখনওই দেবে না, বলে মনে করেন থিয়েন।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here