আজীবন ক্ষমতায় থাকার পদক্ষেপ নিয়েছিলেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। সেটি দেশটির কংগ্রেস অনুমোদন করেছে। রোববার ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেসের বার্ষিক সভায় সংবিধানের ওই সংশোধনী পাস হয়। খবর বিবিসির।

প্রেসিডেন্ট শি’র আজীবন ক্ষমতায় থাকার জন্য এই ভোটাভুটি লোক দেখানো হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। দুই হাজার নয়শ’ ৬৪ ভোটের মধ্যে দুইজন প্রতিনিধি এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছেন। আর তিনজন অনুপস্থিত ছিলেন।

নব্বইয়ের দশক থেকে চীনে প্রেসিডেন্টদের জন্য দুই দফার বেশি নির্বাচিত হওয়া যাবে না এমন বিধান আরোপ করা হয়।

কিন্তু প্রেসিডেন্ট শি গেলো বছরের অক্টোবরে দলের কংগ্রেসে যে নেতৃত্ব বেছে নেন সেখানেই তার ক্ষমতা পাকাপোক্ত করার ইঙ্গিত পাওয়া যায়। এমনকি ওই কংগ্রেসে প্রেসিডেন্ট শি’র মতাদর্শ দলটির গঠনতন্ত্রে লিপিবদ্ধ করা হয়। এরফলে মাও সেতুংয়ের পর তিনিই চীনের দ্বিতীয় কোনো দলীয় প্রধান তার মতাদর্শ পার্টির

অনির্দিষ্টকাল প্রেসিডেন্টের স্বীকৃতি পেলেন সি জিনপিং

আজীবন ক্ষমতায় থাকার পদক্ষেপ নিয়েছিলেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। সেটি দেশটির কংগ্রেস অনুমোদন করেছে। রোববার ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেসের বার্ষিক সভায় সংবিধানের ওই সংশোধনী পাস হয়। খবর বিবিসির।

প্রেসিডেন্ট শি’র আজীবন ক্ষমতায় থাকার জন্য এই ভোটাভুটি লোক দেখানো হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। দুই হাজার নয়শ’ ৬৪ ভোটের মধ্যে দুইজন প্রতিনিধি এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছেন। আর তিনজন অনুপস্থিত ছিলেন।

নব্বইয়ের দশক থেকে চীনে প্রেসিডেন্টদের জন্য দুই দফার বেশি নির্বাচিত হওয়া যাবে না এমন বিধান আরোপ করা হয়।

কিন্তু প্রেসিডেন্ট শি গেলো বছরের অক্টোবরে দলের কংগ্রেসে যে নেতৃত্ব বেছে নেন সেখানেই তার ক্ষমতা পাকাপোক্ত করার ইঙ্গিত পাওয়া যায়। এমনকি ওই কংগ্রেসে প্রেসিডেন্ট শি’র মতাদর্শ দলটির গঠনতন্ত্রে লিপিবদ্ধ করা হয়। এরফলে মাও সেতুংয়ের পর তিনিই চীনের দ্বিতীয় কোনো দলীয় প্রধান তার মতাদর্শ পার্টির গঠনতন্ত্রে লিপিবদ্ধ করা হলো।

প্রেসিডেন্টের ক্ষমতার মেয়াদ দুই দফা থেকে বাদ দিয়ে আজীবন করতে সংবিধান সংশোধনের প্রস্তাব দেয় ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টি। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো কাগজে-কলমে চীনের কংগ্রেসও সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান। তবে ধারণা করা হয়, কংগ্রেসকে যা বলা হয় এটি এর বাইরে তেমন কিছু করে না।

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের দ্বিতীয় মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল।

গঠনতন্ত্রে লিপিবদ্ধ করা হলো।

প্রেসিডেন্টের ক্ষমতার মেয়াদ দুই দফা থেকে বাদ দিয়ে আজীবন করতে সংবিধান সংশোধনের প্রস্তাব দেয় ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টি। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো কাগজে-কলমে চীনের কংগ্রেসও সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান। তবে ধারণা করা হয়, কংগ্রেসকে যা বলা হয় এটি এর বাইরে তেমন কিছু করে না।

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের দ্বিতীয় মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here