নেইমার দ্যা সিলভা নেই। তাতে কী হয়েছে? নেইমারকে ছাড়াই যে মেটসকে ৫-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে প্যারিস সেইন্ট জার্মেই। ৫ গোলের চারটি গোলই হয়েছে প্রথমার্ধে। দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের শেষ সময়ে হয় অপর গোলটি। প্রথম দেখায় ৯ সেপ্টেম্বর ৫-১ গোলে মেটসকে হারিয়েছিল পিএসজি। এর ফলে লিগে ২৮ ম্যাচে ৭৪ পয়েন্ট নিয়ে লিগ ওয়ানের শীর্ষেই রইল দলটি।

রিয়ালের বিপক্ষে ম্যাচের একাদশের কাভানি এবং থিয়াগো মোত্তাকে দলের বাইরে রেখেই একাদশ সাজায় পিএসজি কোচ। ঘরের মাঠে পিসজিকে গোল পেতেও অবশ্য বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি। ম্যাচের ৫ম মিনিটেই মুনিয়ারের গোলে এগিয়ে যায় পিএসজি। ডান পাশের দুর্দান্ত শটে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন তিনি। এরপর চলে এনকুনকু শো। ৮ মিনিটের ব্যবধানে ২ গোল করে দলকে ৩-০ গোলের লিড এনে দেন এই ফ্রেঞ্চ স্ট্রাইকার।

২০ মিনিটে ভেরাত্তির পাস থেকে বা পায়ের শট ম্যাচের ১ম গোলটি করেন এনকুনকু। এর ঠিক ৮ মিনিট পর ডি মারিয়ার কাছ থেকে বল পেয়ে দূরপাল্লার শটে পিএসজির হয়ে ৩য় এবং নিজের ২য় গোল করেন এই ২০ বছর বয়সী স্ট্রাইকার। এখানেই শেষ হয় নি রিয়াল মাদ্রিদের প্রথমার্ধের গোল উৎসব। প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময়ে ভেরাত্তির আরেকটি বাড়ানো বল থেকে ম্যাচের চতুর্থ গোলটি করেন এমবাপে।

বিরতি থেকে ফিরেও চলে পিএসজির একক আধিপত্য। ৫৭ শতাংশ বল নিজেদের দখলে রাখলেও গোল ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ নষ্ট করেন ডি মারিয়া-এনকুনকুরা। অবশেষে ম্যাচের ৮৩ মিনিটে মুনিয়ারের কর্নার থেকে হেডে গোল করে পিএসজিকে ৫-০ গোলের বড় জয় এনে দেন অধিনায়ক থিয়াগো সিলভা। এই জয়ের ফলে কিছু রেকর্ডকেও নিজেদের সঙ্গী করে ফেলেছে পিএসজি। বর্তমান মৌসুমে সবরকম প্রতিযোগিতায় ১৪৪ গোল করেছে নেইমাররা যা যেকোন মৌসুমের থেকে বেশি। শুধু তাই নয়, ঘরের মাঠে শেষ ১১ ম্যাচের একটিতে হেরেছে তারা এবং জয়ী হওয়া ১০টি ম্যাচের প্রত্যেকটিতেই করেছে গড়ে ৩টি করে গোল। বোঝাই যাচ্ছে ঘরের মাঠে লিগে তারা কতটা শক্তিশালী। পিএসজির পরবর্তী ম্যাচ ফ্রেঞ্চ লিগে ১৪ তারিখ এংগার্সের বিপক্ষে।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here