জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার চার মাসের জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত।বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ বেলা আড়াইটার দিকে বেগম জিয়ার জামিন মঞ্জুর করেন।এর আগে বেলা একটায় মামলার নথি দাফতরিক কাজ শেষে হাইকোর্ট বেঞ্চে পৌঁছায়।

গতকাল রোববার সকালে বিচারিক আদালতের নথি না আসায় আজ সোমবার আদেশ দেয়ার দিন ধার্য করেন। পরে এ দিন দুপুর সোয়া ১২টার দিকে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার নথি লোয়ার কোর্ট রেকর্ড (এলসিআর) থেকে হাইকোর্টে পাঠানো হয়। পাঁচ হাজার ৩৭৩ পৃষ্ঠার মামলার নথি বড় একটি ট্রাংকে করে কোতোয়ালি থানার এএসআই মঞ্জু মিয়া সুপ্রিম কোর্টে পৌঁছান। হাইকোর্টের আদান-প্রদান শাখায় নথি গ্রহণ করেন সেকশন কর্মকর্তা কেএম ফারুখ হোসেন। সেখান থেকে মামলার নথি ফৌজদারি আপিল বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয়।

গত ৮ই ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার রায়ে খালেদা জিয়াকে ৫ বছর এবং অন্য আসামিদের ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেন ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. আখতারুজ্জামান। কারাদণ্ডের পাশাপাশি আসামিদের ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৪৩ টাকা অর্থদণ্ডও দেয়া হয়।

রায় ঘোষণার ১১ দিন পর ১৯শে ফেব্রুয়ারি রায়ের অনুলিপি হাতে পান খালেদার আইনজীবীরা। ২০শে ফেব্রুয়ারি হাইকোর্টে আপিল করেন তারা। পরে ২২শে ফেব্রুয়ারি বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আপিল গ্রহণ করে সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীকে বিচারিক আদালতের দেয়া অর্থদণ্ডের আদেশ স্থগিত করেন। পাশাপাশি খালেদা জিয়ার জামিনের আবেদনের শুনানির দিন (২৫শে ফেব্রুয়ারি) ধার্য করে হাইকোর্ট এ মামলার বিচারিক আদালতের নথি তলব করেন যা ১৫ দিনের মধ্যে দাখিল করতে বলা হয় আদেশে। ২৫শে ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়ার জামিন শুনানি শেষে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট বেঞ্চ উভয়পক্ষের আইনজীবীদের জানান, বিচারিক আদালতের নথি আসার পর জামিন প্রশ্নে আদেশ দেয়া হবে।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here