টান টান উত্তেজনা। শেষ ওভারে প্রয়োজন ১২ রান। কিন্তু স্ট্রাইকিংপ্রান্তে মোস্তাফিজুর রহমান। অন্যপ্রান্তে দৌড়ানোর জন্য প্রস্তুত মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। কোনোভাবে এক রান নিয়ে স্ট্রাইক নিবেন তিনি। প্রথম বল ডট, চলে গেলে মোস্তাফিজের কাঁধের ওপর দিয়ে। দ্বিতীয় বলও চলে গেলো কাঁধের ওপর দিয়ে। নো বল ডাকলেন না আম্পায়ার। রান নিতে গিয়ে রানআউট হলেন মোস্তাফিজ। বাধলো গণ্ডগোল। নো বল না দেওয়ায় আপত্তি জানালেন মাহমুদউল্লাহ। শ্রীলঙ্কান ফিল্ডারদের সঙ্গেও বাক-বিতণ্ডায় জড়ান তিনি।

কী কারণে যেন আম্পায়াররাও মাহমুদউল্লাহর ওপর ক্ষিপ্ত। পরপর কাঁধের ওপর দুটি ডেলিভারির কারণে নো দেওয়া নিয়ে চলে বিতর্ক। অধিনায়ক সাকিব আল হাসানকে দেখা গেলো মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ আর রুবেল হোসেনকে মাঠ থেকে উঠে আসতে বলছেন। আম্পায়ার আর ম্যাচ রেফারিসহ অন্য কর্মকর্তারা থামানোর চেষ্টা করছেন তাকে। ম্যানেজার খালেদ মাহমুদ সুজন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদকে মাঠেই থাকতে বললেন। অবশেষে বিরোধ থামলো। স্ট্রাইকে থাকলেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদই।

শেষ চার বলে প্রয়োজন ১২ রান। তৃতীয় বলে হাঁটু ঘেরে মাহমুদউল্লাহ মারলেন বাউন্ডারি। চতুর্থ বলে ২ রান। শেষ দুই বলে প্রয়োজন ৬ রান। বোলার ইসুরু আদানা দৌড়ে এসে বল ছাড়লেন পায়ের ওপর। দারুণ এক ফ্লিক করলেন রিয়াদ। বল আছড়ে পড়লো গ্যালারিতে। ছক্কা মেরেই বাংলাদেশকে ২ উইকেটের ব্যবধানে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।

আর এই ছয়েই শ্রীলঙ্কার ৭০তম জাতীয় দিবসের টুর্নামেন্ট নিদাহাস ট্রফির ফাইনালে উঠে গেলো বাংলাদেশ। ১৮ মার্চ এই প্রেমাদাসাতেই রোহিত শর্মাদের ভারতের বিপক্ষে ফাইনালে নামবে নাগিনখ্যাত টাইগাররা।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here