এক সময়ের সাড়া জাগানো নায়ক ফারুক রাজনীতিতে আসার ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ ধারণ করা ফারুক ক্ষমতাশীন আওয়ামী লীগের হয়েই আগামী সংসদ নির্বাচন অংশ নিতে চান।

ফারুক বলেন- সত্যর জন্য, সুন্দরের জন্য ইমোশনাল পৃথিবী ছেড়ে আমি রাজনীতিতে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এবার আমি প্রধানমন্ত্রীর কাছে জোরালোভাবে বলতে চাই আমাকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হতে দেন। আমি হয়তো আপনার জন্য কিছু করতে পারব না। তবে পার্টির জন্য তো কিছু করতে পারব। বঙ্গবন্ধুর কথা তো মানুষের কাছে বলতে পারব। তখন বঙ্গবন্ধুর কথাগুলো আরও সুন্দরভাবে রেকর্ড হবে।

নির্বাচনী আসনের ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সারা বাংলাদেশটাই তো আমাদের। আমরা বাংলাদেশের মানুষ। আমাকে সারাদেশের মানুষ চেনেন। আর যদি না চিনতেন তাহলে এত বড় সাহস করতাম না। নির্বাচনের আসন এখানেও হতে পারে (এখন উত্তরায় বসবাস করছেন)। কিংবা আমার গ্রাম গাজীপুর জেলার কালীগঞ্জ থেকেও হতে পারে।

ফারুক বলেন, কালীগঞ্জ থেকে আমি নির্বাচন করলে সেখানকার মানুষ অনেক খুশি হতেন। তারা যা চায় তা এখনও পায়নি। আজ পর্যন্ত পায়নি। ‘বঙ্গবন্ধু বাজার’ নাম আমার বাবা দিয়ে গেছেন। সেই বঙ্গবন্ধু বাজারের ইতিহাস আজ পাথর চাপা দিয়ে রাখা হয়েছে। কারণ যদি আপা জেনে যান? আপা যদি ইতিহাস জেনে যান তাহলে তো তিনি খুশি হবেন। আমার কর্ম তো আমাকে ক্ষেত্র তৈরি করে দেবে।

রাজনৈতিক পরিকল্পনা নিয়ে তিনি বলেন, দেশের মানুষের পরাধীনতার শিকল ছিঁড়েছেন আমাদের প্রধানমন্ত্রী। তার প্রচেষ্টায় দেশে উন্নয়নের ধারা তৈরি হয়েছে। আমি সেই উন্নয়নের ধারায় কাজ করে যেতে চাই। এই উন্নয়নের আরেক নাম সোনার বাংলা। জানিনা কতদিন বাঁচবো। তবে যতদিন বাঁচবো মানুষের জন্য কাজ করে যাবার ইচ্ছে আছে।

উল্লেখ্য, নায়ক ফারুক স্কুল জীবন থেকে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত। ১৯৬৬ সালে তিনি ছয় দফা আন্দোলনে যোগ দেন। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহন করেন। তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্নেহভাজন ছিলেন। বঙ্গবন্ধু তাকে চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য অনুপ্রাণিত করেছিলেন। সুজন-সখী, লাঠিয়াল, মিয়াভাইসহ অসংখ্য ব্যবসা সফল সিনেমা উপহার দিয়েছেন ফারুক।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here