জাতীয় পরিচয়পত্রে নাম পরিবর্তনের বিষয়ে কঠিন নীতিমালা প্রণয়নের চিন্তা করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নারীরা বিয়ের পর চাইলেই জাতীয় পরিচয়পত্রে নাম সংশোধন করে স্বামীর নামের অংশ বা পদবি যুক্ত করতে পারবেন না। শিক্ষাসনদ অনুযায়ী যে নাম, সেটাই জাতীয় পরিচয়পত্রে থাকবে। বিশেষ প্রয়োজনে কেউ স্বামীর নাম যুক্ত করতে চাইলে ইসির অনুমোদন নিতে হবে। কমিশন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সিদ্ধান্ত দেবে। গত সোমবার কমিশনের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

সব ধর্মের নাগরিকের জন্য এটি প্রযোজ্য হবে। তবে ইসির এমন সিদ্ধান্তে আপত্তি জানিয়েছে বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ। সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক রানা দাশগুপ্ত বলেন, বিয়ের পর হিন্দু নারী তার স্বামীর গোত্রে অন্তর্ভুক্ত হন। তাই স্বামীর পারিবারিক পদবী বিবাহসূত্রে অর্জন করেন। হাজার বছর ধরে চলে আসা এ রীতি পরিবর্তিত হলে হিন্দু সম্প্রদায়ের ধর্মবিশ্বাসে আঘাত লাগতে পারে।

এ বিষয়ে ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন- সনদে যে নাম ছিল, সে নামে পরিচয়পত্র করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। যাদের সনদ নেই, তাদের ক্ষেত্রে মা-বাবা যে নাম রেখেছেন, সেটি হবে। প্রয়োজনে কেউ স্বামীর নাম যুক্ত করতে চাইলে ইসিতে দরখাস্ত করতে হবে, প্রতিটি আবেদন আলাদাভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সিদ্ধান্ত দেবে ইসি।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here