মাঝ রাতে ঢাবি হঠাৎ উত্তপ্ত

0
120

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) তিন শিক্ষার্থীকে মারধর করে র‌্যাব সদস্যরা ধরে নেওয়ার পর হঠাৎ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে ক্যাম্পাস। এ ঘটনার জেরে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্ররা ক্যাম্পাসে পুলিশ ও র‍্যাবেরসহ পাঁচ-ছয়টি গাড়ি ভাঙচুর করে। কলাভবনের মূল ফটকের সামনে ইট দিয়ে রাস্তা বন্ধ করে দেয় তারা।

বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সূর্যসেন, বিজয় একাত্তরসহ কয়েকটি হলের প্রায় তিন শতাধিক শিক্ষার্থী টিএসসি ও এর আশপাশের এলাকায় বিক্ষোভ করে। পরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ওই তিন শিক্ষার্থীকে ছাড়িয়ে আনার পর রাত ১২টার দিকে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

শিক্ষার্থীদের বরাত দিয়ে সহকারী প্রক্টর সোহেল রানা বলেন, রাস্তায় সাইড দেওয়া নিয়ে ক্ষোভ থেকে মটরসাইকেল আরোহী ঢাবির তিন শিক্ষার্থী রাত সাড়ে ১০টার দিকে কলাভবনের সামনের রাস্তায় একটি মাইক্রোবাস আটকায়। তারা চালককে বেরিয়ে আসতে বলে। চালক তাতে সাড়া না দেওয়ায় কথা কাটাকাটির এক ফাঁকে মাইক্রোবাসের একটি লুকিং গ্লাস ভেঙে দেয় শিক্ষার্থীরা। তখন র‌্যাব সদস্যরা এসে গ্লাস ভাঙার কারণ জানতে চাইলে, তারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী পরিচয় দেয়। কেন গ্লাস ভেঙেছে জানতে চাইলে বলে, এটা র‌্যাবের গাড়ি তা তারা জানত না।

শিক্ষার্থীরা জানান, ওই ঘটনার পর র‌্যাব সদস্যরা তিন শিক্ষার্থীকে বেদম পেটান ও কিছুক্ষণ পর গাড়িতে তুলে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যান। খবর পেয়ে তাদের সহপাঠীরা অবিলম্বে আটকদের মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ ও ভাঙচুর করে। পরে র‌্যাব-১০ এর একটি গাড়িতে করে রাত পৌনে ১২টার দিকে ওই শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাসে পৌঁছে দেওয়া হয় বলে জানান সহকারী প্রক্টর সোহেল রানা। ওই তিন ছাত্র হলেন বিজয় একাত্তর হলের তানভীর ও ফয়সাল এবং সূর্য সেন হলের ইমরান।

রাত সাড়ে নয়টার দিকে কলাভবনের মূল ফটকের উল্টো পাশের সড়কে পৌঁছালে মোটরসাইকেলের সঙ্গে একটি হাইয়েস গাড়ির ধাক্কা লাগে। গাড়ির কাচ ভেঙে গেলে ভেতর থেকে র্যাবের পোশাক পরা ব্যক্তিরা নেমে এসে তিন ছাত্রকে বেদম পেটান ও কিছুক্ষণ পর গাড়িতে তুলে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যান। ঘটনাস্থল থেকে পড়ে থাকা মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করে শাহবাগ থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here