মেক্সিকো সীমান্তের কাছাকাছি তিহুয়ানা শহরের একটি গণকবর থেকে ২৪০ জনের হাড় উদ্ধার করেছে দেশটির পুলিশ। নিহত ওই ব্যক্তিদের লাশ অ্যাসিডে গলিয়ে কবর দেওয়া হয় বলে জানা গেছে।

সংবাদমাধ্যম ডেইল মেইলের খবরে বলা হয়, ওই হত্যাকাণ্ডগুলোর সঙ্গে জড়িত লোপেজ নামের একজন ঘাতক। দেশটির মাদক চোরাচালাকারীদের সাহায্য করার দায়ে ২০০৯ সালে তিনি গ্রেপ্তার হন। এরপর থেকেই পুলিশকে বিভিন্ন তথ্য দিয়ে যাচ্ছেন ওই ভাড়াটে খুনি।

লোপেজের দেওয়া তথ্য অনুসন্ধান করে ১৬ হাজার ৫০০ লিটার জৈব পদার্থ ও ১৭০ থেকে ২০০ কেজি মানুষের হাড় পেয়েছেন তদন্তকারী দল। সেখানে ৬৫০টি মৃতদেহ ছিল বলে অনুমান করেছে দেশটির ফেডারেল অ্যাটর্নি জেনারেল মন্ত্রণালয়।

জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে পুলিশ আরও জানায়, খুন করে লাশ গুম করার এক সপ্তাহ পর লোপেজকে ৪৪০ ব্রিটিশ পাউন্ড দেওয়া হতো। ২০০৭ সালের ডিসেম্বরে সব থেকে বেশি মরদেহ গুম করেন লোপেজ। সে বছর ৩২টি মৃতদেহ অ্যাসিডে গলিয়ে মাটিতে পুঁতে রাখেন তিনি।

তদন্তকারীরা আরও জানান, ভাড়াটে খুনি লোপেজে, এল পোথোলেরো ছদ্মনামে মাদক ব্যবসায়ীদের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তারা অনুমান করছেন তিহুয়ানা শহরে এরই মধ্যেই ৬৫০টি মৃতদেহ গণকবর দিয়েছেন তিনি।

খুন করে মৃতদেহগুলোকে ড্রামে ভর্তি অ্যাসিডে ঝলসে দিতেন ভাড়াটে খুনি লোপেজ। এর পর ড্রামগুলো মাটিতে পুতে দিতেন। গণকবর দেওয়ার এই পরিকল্পনার ওপর ভিত্তি করে গোয়েন্দারা তার নাম দেন ‘দ্য স্যুপ মেকার’।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here