বিশ্বকাপে ওঠা নিয়েই যাদের সংশয় ছিল সেই আফগানিস্তান শেষ পর্যন্ত চ্যাম্পিয়ন হয়েছে আইসিসি ট্রফি নামে বিশ্বকাপ বাছাই পর্বে। রোববার জিম্বাবুয়ের হারারে স্পোর্টস ক্লাবেওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৭ উইকেটে হারিয়ে তারা জিতে নিয়েছে এই ছোট বিশ্বকাপ খ্যাত এই ট্রফি।

অবশ্য বাছাইপর্বের শুরুতে আফগানদের গল্পটা ছিল হতাশার। চার ম্যাচের তিনটায় হেরে চলে গিয়েছিল খাদের কিনারে। সমীকরণ এমন ছিল, নিজেরা শেষ ম্যাচ জিতলেও হয়তো বাদ পড়ে যেত। যদি হংকং হারিয়ে দিত নেপালকে। ভাগ্য ভালো, নেপাল হংকংকে জিততে দেয়নি। নিজেদের শেষ ম্যাচটা জিতে রান রেটে এগিয়ে থেকে আফগানরা টিকিট পেয়েছিল সুপার সিক্সের।

কিন্তু এরপরই পাল্টে যায় গল্প। সুপার সিক্সে নিজেদের তিন ম্যাচের প্রতিটি জিতে উঠে গিয়েছিল ফাইনালে। রোববারের ফাইনালে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ৪৬.৫ ওভারে ২০৪ রানে অলআউট হয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। রভম্যান পাওয়েল (৪৪) ও শিমরন হেটমায়ার (৩৮) ছাড়া আর কোনও ব্যাটসম্যানের ব্যাটে ছিল না উল্লেখযোগ্য রান । মুজিব উর রহমান তার শেষ ওভারে তিন উইকেট নিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের রানের লাগাম টেনে ধরেন। দলীয় স্কোর ২০৪ থাকতেই শেষ তিন উইকেট হারায় ক্যারিবিয়ানরা। মুজিব সর্বোচ্চ ৪ উইকেট নেন। দুটি পান গুলবাদিন নাইব।

২০৫ রানের লক্ষ্যে নামা আফগানিস্তানকে একটুও ভোগাতে পারেনি ক্যারেবীয় বোলাররা। দলীয় ৫৮ রানে প্রথম উইকেট হারানোর পর মোহাম্মদ শাহজাদ ও রহমত শাহর ৯০ রানের জুটিতে জয়ের ভিত রচিত হয়। ৯৩ বলে ১১ চার ও ২ ছয়ে ইনিংস সেরা ৮৪ রানে আউট হন ম্যাচসেরা শাহজাদ। দল ৩৬ রান দূরে থাকতে রহমত ৫১ রানে ক্রিস গেইলের দ্বিতীয় শিকার হন।

সামিউল্লাহ সেনওয়ারি ও মোহাম্মদ নবি অপরাজিত থেকে দলকে জেতান। ৪১তম ওভারে টানা তিনটি ছয় হাঁকিয়ে আফগানিস্তানকে লক্ষ্যে পৌঁছে দেন নবি। ১২ বলে ২৭ রানে অপরাজিত ছিলেন তিনি। সেনওয়ারি খেলছিলেন ২০ রানে। শেষে ৪০.৪ ওভারে ৩ উইকেটে ২০৬ রান করে আফগানিস্তান।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here