প্রতিপক্ষ আর্জেন্টিনাকে লিওনেল মেসিসহ দেখতে চেয়েছিল স্পেন। কিন্তু ইনজুরির কারণে টানা দ্বিতীয় ম্যাচে ছিলেন না বার্সেলোনার ফরোয়ার্ড। তাকে ছাড়া আগের ম্যাচে ইতালিকে ২-০ গোলে হারালেও মঙ্গলবার ওয়ান্দা মেত্রোপলিতনে স্প্যানিশদের কাছে বিধ্বস্ত হলো আর্জেন্টিনা। তাদের ৬-১ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে স্পেন।

আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে প্রথম হ্যাটট্রিক করে স্পেনকে টানা ১৮ ম্যাচ অজেয় রাখলেন ইস্কো। গত শুক্রবার জার্মানির বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করেছিল ২০১০ সালের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। এবার মেসিহীন আর্জেন্টিনাকে গোলবন্যায় ভাসিয়ে দিলো তারা।

চেনা মাঠে স্পেনকে প্রথম এগিয়ে দেন অ্যাটলেটিকোর স্ট্রাইকার কস্তা। মার্কো অ্যাসেনসিওর পাস থেকে স্বাগতিক দর্শকদের প্রথমে উচ্ছ্বাসে ভাসান কস্তা। সেই গোল ঠেকানোর চেষ্টা করতে গিয়ে চোট পান সার্জিও রোমেরো। ২২তম মিনিটে মাঠ ছাড়েন তিনি। ২৫তম মিনিটে গোল শোধের দারুণ একটি প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দেন সের্হিও রামোস।

ইন্দেপেন্দিয়েন্তোর মিডফিল্ডার মেসা বল নিয়ে কিছুটা এগিয়ে বাড়ান লো সেলসোকে। পিএসজির মিডফিল্ডারের দারুণ পাসে বিপজ্জনক জায়গায় বল পেয়ে যান মেসা। কিন্তু দারুণ স্লাইডে কর্নারের বিনিময়ে সে যাত্রায় দলকে বাঁচান রামোস। ম্যাচের ২৭ মিনিটে আসেনসিওর নিচু ক্রসের বল আর্জেন্টিনার জালে পাঠান ইসকো। ম্যাচের ৩৯ মিনিটে ব্যবধান কমান ওটামেন্দি। কর্নার থেকে লাফিয়ে দারুণ হেডে গোল করেন তিনি।

প্রথমার্ধে ২-১ গোলের পর দ্বিতীয়ার্ধে দুই দলের হাড্ডাহাড্ডি লড়াই প্রত্যাশা করেছিল ভক্তরা। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে ঘরের মাঠে আধিপত্য দেখাল কেবলই স্পেন। আসপাসের পাস থেকে বল পেয়ে ৫১তম মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন ইসকো। চার মিনিট পর ব্যবধান ৪-১ করে ফেলেন থিয়াগো আলকানতারা।

ম্যাচের ৭৩তম মিনিটে আর্জেন্টিনার জালে বল পাঠান এর আগে সতীর্থদের গোলে অবদান রাখা আসপাস। দুই মিনিট পর নিজের হ্যাটট্রিক পূরণ করেন ইসকো। স্পেন তখন ৬-১ গোলে এগিয়ে। ম্যাচের বাকি সময়ে আর গোল না হওয়ায় এ ব্যবধানেই হতাশা নিয়ে মাঠ ছাড়ে আর্জেন্টিনা। গ্যালারিতে বসেই সতীর্থদের এমন বাজে হার দেখেছেন মেসি।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here