তথ্য নিরাপত্তা নিয়ে ফেসবুকের সাম্প্রতিক কেলেংকারির ঘটনায় সামাজিক মাধ্যমে #ডিলিটফেসবুক শীর্ষক একটি প্রচারণা চলছে। অনেকে তাদের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট মুছে দিচ্ছেন৷ দেখে নেওয়া যাক কারা ছাড়লেন ফেসবুকের সঙ্গ…


স্পেসএক্স ও টেসলা
ইলেক্ট্রিক গাড়ি নির্মাতা টেসলা ও রকেট নির্মাতা প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্সের উদ্যোক্তা অ্যালোন মাস্ক টুইটারে জানিয়েছিলেন, তিনি এই দুই কোম্পানির ফেসবুক অ্যাকাউন্ট মুছে দেবেন। এরপর সেগুলো মুছে দেওয়া হয়৷ প্রত্যেকটি অ্যাকাউন্টে প্রায় ২০ লাখের বেশি অনুসারী ছিল।

মজিলা
জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজার ফায়ারফক্সের কোম্পানি মজিলা এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা ফেসবুকে বিজ্ঞাপন দেওয়া কিছুদিনের জন্য স্থগিত রাখবেন৷ আর তারা ফেসবুক অ্যাকাউন্টটি বন্ধ করার কথা না বললেও সেখানে নিয়মিত পোস্ট দেওয়া স্থগিত থাকবে বলে জানিয়েছে।

কমের্জব্যাংক
জার্মানির অন্যতম বড় এই ব্যাংকও ফেসবুকে বিজ্ঞাপন দেওয়া কিছুদিনের জন্য বন্ধ রাখবে বলে জানিয়েছে। ব্যাংকের ব্র্যান্ড ম্যানেজমেন্টের প্রধান জার্মান এক পত্রিকাকে বলেন, ‘তথ্য নিরাপত্তা ও ব্র্যান্ডের সুনাম রক্ষা আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ।’

হোয়াটসঅ্যাপের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ব্রায়ান অ্যাকটন
২০০৯ সালে ফেসবুকে চাকরির জন্য সাক্ষাৎকার দিয়ে ব্যর্থ হয়েছিলেন। এরপর তিনি হোয়াটসঅ্যাপ তৈরি করেন। সেই হোয়াটসঅ্যাপ ২০১৪ সালে ফেসবুক কিনে নিয়ে বিলিওনিয়ার হয়ে যান ব্রায়ান অ্যাকটন। এরপর ২০১৭ সালে হোয়াটসঅ্যাপ ছেড়ে দিয়ে সিগন্যাল নামে আরেকটি অ্যাপে বিনিয়োগ করেন। ২০ মার্চ তিনি টুইটারে লেখেন, ‘এখন সময়৷ #ডিলিটফেসবুক।’

সোনোস
স্পিকার তৈরির মার্কিন এই প্রতিষ্ঠান ফেসবুক, ইন্সটাগ্রামসহ অন্যান্য সামাজিক মাধ্যমে বিজ্ঞাপন দেওয়া বন্ধ করার ঘোষণা দিয়েছে। তবে কোম্পানিটি ফেসবুককে একেবার ‘পরিত্যাগ’ করবে না, কারণ, এটি ‘খুবই কার্যকর’ একটি সেবা বলে মনে করে তারা।

ড. ওয়েটকার
জার্মানির খাদ্য বিষয়ক এই কোম্পানি ২১ মার্চ টুইটারে একটি পোস্ট দিয়ে বলেছিল, পোস্টটি এক হাজারবার রিটুইট হলে কোম্পানির ফেসবুক অ্যাকাউন্ট মুছে দেওয়া হবে। এক হাজারবার রিটুইট হতে সময় বেশি লাগেনি। তারপর কথা অনুযায়ী ফেসবুক অ্যাকাউন্ট মুছে দেয় ড. ওয়েটকার। কিন্তু একদিন পর আবার ফেসবুকে ফিরে আসে তারা৷ কারণ হিসেবে বলে, ফেসবুক ছাড়া থাকতে পারেনি তারা।

ফেসবুকের উত্তর
কিছু কোম্পানির ফেসবুক ছেড়ে যাওয়া প্রসঙ্গে ফেসবুক বলেছে, ‘যত কোম্পানির সঙ্গে আমরা কথা বলেছি, তাদের বেশিরভাগই আমাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে। তারা আশ্বস্ত হয়েছে যে, আমরা বর্তমান চ্যালেঞ্জ ভালোভাবে গ্রহণ করব এবং আরও ভালো কোম্পানি হয়ে উঠবো।’ সূত্র: ডয়চে ভেলে।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here