ভায়াগ্রা শব্দটির সঙ্গে যেন জড়িয়ে রয়েছে কেমন একটা লুকোচুরির সম্পর্ক। সবাই জানেন এর ব্যবহার, কিন্তু জনসমক্ষে এর নাম মুখে আনা যেন মহাপাপ। কখনও লজ্জা বা সংকোচেরও। কিন্তু ভায়াগ্রা অবশ্যই কাজের, জানিয়েছেন এর ব্যবহারকারীরা।

যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে আসার মাত্র দু’সপ্তাহের মধ্যে এই ‘মহৌষধ’ এর জন্য দেড় লাখ প্রেসক্রিপশন লেখা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে এক সংবাদ প্রতিবেদন থেকে। অবশ্য বিশ্ববাজারে আবির্ভূত হওয়ার আগেই, তা কালোবাজারির দৌলতে পৌঁছে যায় ইজরায়েল, পোল্যান্ড ও সৌদি আরবে। ভায়াগ্রার জন্মভূমি যুক্তরাষ্ট্রে তখন এর দাম তখন ১০ ডলারের কাছাকাছি হলেও, অন্যান্য দেশগুলোতে তা পাওয়া যেত পাঁচ গুণ বেশি দামে।

১৯৯০ সালের গোড়ার দিকের কথা। হৃদরোগ সারানোর জন্য, সিলদেনাফিল নামে একটি ওষুধ নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছিল বিখ্যাত ওষুধ তৈরি সংস্থা ফাইজার । কিন্তু, হার্টের উপরে কোনও প্রভাব ফেলতে পারেনি ওষুধটি। বদলে তা পুরুষদের যৌন ইচ্ছে বাড়িয়ে দেয় বলে জানান পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারীরা।

স্বাভাবিকভাবেই, ফাইজার এই ওষুধ নিয়ে নিজেদের পথ বদল করে এবং ২৯৯৮ সালে ২৭ মার্চ সবুজ সংকেত অর্জন করে যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফডিএ) সংস্থা থেকে। এরপর বাজারে বের হওয়ার পর বাকিটা ইতিহাস। সেই হিসেবে দেখলে গদ ২৭ তারিখ ভায়াগ্রা পা দিলো ২০ বছরে।

বিশ্ববাজারে আত্মপ্রকাশের পরে, ভায়াগ্রার নকল বেরতে বেশিদিন সময় লাগেনি। ফাইজার কম্পানি নিজেরাই একটি সমীক্ষা করে ২০১১ সালে। তাতে জানা যায়, অনলাইনে কেনা ভায়াগ্রার ৮০ শতাংশই নকল। ফলে এই ‘মহৌষধ’ কেনার আগে সাবধান!

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here