বিশ্বকাপ প্রস্তুতিতে স্পেনের বিরুদ্ধে ৬-১ গোলের বিশাল পরাজয় নিয়ে মাঠ ছাড়া আর্জেন্টিনার ভক্তরা নাখোশ হতেই পারেন লিওনেল মেসির ওপর। ২৯ মার্চের ওই ম্যাচে হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটের কথা বলে পুরোটা সময় ডাগআউটে বসে দলের হার দেখেছেন তিনি। কোচ হোর্হে সাম্পাওলি জানিয়েছেন, মেসির চোট খুব গুরুতর না হলেও সামনে বিশ্বকাপ বলে খুব ঝুঁকি নিতে চাননি তিনি। কিন্তু সেই মেসিই আবার চোটের কথা ভুলে প্রাণপনে খেলে লা লিগায় সেভিয়ার বিপক্ষে এক গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে বার্সেলোনাকে নিশ্চিত হার থেকে রক্ষা করেছেন।

এই ম্যাচে মেসি ও সুয়ারেজের গোলে সেভিয়ার সঙ্গে ২-২ গোলে ড্র করেছে বার্সেলোনা।

অথচ একসময় সেভিয়া হয়তো ধরেই নিয়েছিল ম্যাচটি তাদেরই হতে যাচ্ছে। আর বার্সা শিবিরে জমেছিল মৌসুমের প্রথম হারের কালো মেঘ। খেলার যখন ৮৭ মিনিট তখনও বার্সেলোনা পিছিয়ে ২-০ গোলে। ঠিক তখনই ৮৮ মিনিটে গোল করে বসেন সুয়ারেজ। কিন্তু তখনও যে হার পিছু ছাড়েনি বার্সার।

কিন্তু চোটের কথা বলে আর্জেন্টিানর হয়ে বসে থাকা মেসি হঠাৎই আবির্ভূত হবে স্বরূপে তা কে ভাবতে পেরেছিল। ৮৯ মিনিটে দুর্দান্ত শটে বার্সেলোনাকে নিশ্চিত পরাজয়ের হাত থেকে বাঁচান এই তারকা। এই ড্র এর ফলে সেভিয়ার বিপক্ষে টানা ২২ ম্যাচ অপরাজিত থাকলো বার্সেলোনা।

এমনিতেই আর্জেন্টিনার প্রতিটি হারের পর নিশ্চিতভাবে সমর্থকদের দুয়ো শুনতে হয় মেসিকে। অনেকেই অভিযোগ করেন মেসি যতটা না আর্জেন্টিনার তারচেয়ে বেশি বার্সেলোনার। নিশ্চিভাবে লা লিগার এই ম্যাচের পর সমর্থকদের মনে মেসিকে নিয়ে এই নেতিবাচক ধারণা আরও পোক্ত হবে। ২৯ মার্চের ম্যাচে বসে থাকার জন্য এরইমধ্যে মেসির সমালোচনা করেছেন আর্জেন্টিনার সাবেক ফুটবলার হুগো গাত্তি। তিনি বলছেন, চোট থাকলেও দেশের কথা ভেবে স্পেনের বিপক্ষে ম্যাচটা খেলতে পারতেন মেসি। তার চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রোনালদো হলে এমন পরিস্থিতিতে ঠিকই ক্লাবের কথা না ভেবে দেশের জন্য ম্যাচটা খেলতো।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here