আপাতত স্বস্তি। ৫০ হাজার টাকায় মুচলেকা দিয়ে হরিণ শিকার মামলায় জামিন পেলেন সালমান খান। তবে কাজটা এতো সহজ ছিল না। প্রায় আটকেই গিয়েছিল তার জামিন।

এর আগে কৃষ্ণসার শিকার মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়ে যোধপুর সেন্ট্রাল জেলের খুপরিতে পরপর দুই রাত কাটাতে বাধ্য হন ভাইজান। পরিস্থিতি এমন যে আশঙ্কা দেখা দেয়, এ জেলবাস তার এখনই শেষ নাও হতে পারে। আজ তার জামিনের আবেদনের রায় বের হওয়ার কথা থাকলেও গতকাল বদলি হয়ে যান সংশ্লিষ্ট বিচারক। ফলে অনেকেই বলেন, যতোদিন না নতুন বিচারক কাজ বুঝে নিচ্ছেন, ততোদিন জেলেই কাটাতে হবে অপরাধী সালমান খানকে।

হাহাকার পড়ে যায় ভক্তদের মধ্যে, ফিল্মি ইন্ড্রাস্টিরও মাথায় হাত। এ পরিস্থিতিতে তাকে যত দ্রুত সম্ভব জেল থেকে বের করতে মরিয়া হন তার আইনজীবীরা। গতকাল যোধপুর সেশনস কোর্টে শুনানিতে তারা বলেন- সালমানের জীবনের আশঙ্কা রয়েছে, গ্যাংস্টার রবি পূজারী তাকে হত্যার চেষ্টা করছে, তাই যত দ্রুত সম্ভব জামিন মঞ্জুর করা হোক। শুনানির পর বিচারক রবীন্দ্র কুমার জোশি একদিনের জন্য রায় মুলতুবি রাখেন। কিন্তু এরপরই তার রুটিন বদলি হয়ে যায়।

শনিবার সালমানের জামিন নিতে আইনজীবীদের সঙ্গে সকাল থেকেই আদালতে উপস্থিত থাকেন তার দুই বোন অর্পিতা ও আলভিরা খান। ভাইকে মুক্ত করতেই দুদিন ধরে এদিক সেদিক ছুটছেন তারা। যদিও প্রথম দিকে বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে প্রাথমিকভাবে জটিলতা দেখা দেয়। তবে পূর্বঘোষণা মতো সকালেই আদালত বসে।

যথারীতি শুনানিতে ফের জামিনের পক্ষে জোর দাবি জানান সালমানের আইনজীবী। পাল্টা বিরোধিতা করে উত্তাপ বাড়ান বিষ্ণোই সমাজের আইনজীবীও। উত্তপ্ত শুনানি শেষে দুপুরে আদেশ দেবেন বলে জানিয়ে দেন যোধপুর সেশনস কোর্টের বিচারক রবীন্দ্র জোশি। কয়েক ঘণ্টা বিরতির পর আদালত জামিনের রায় পড়ে শোনান। তখন উল্লাসে ফেটে পড়েন ভাইজানের ভক্তরা। কেউ কেউ আনন্দে কেঁদেওছেন।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here