আসন্ন গাজীপুর ও খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে একক প্রার্থী দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০-দলীয় জোট। নির্বাচনের জন্য জোটগত সমন্বয় কমিটিও গঠন করা হবে শিগগিরই। গতকাল রাতে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে জোটের শীর্ষ নেতাদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

জামায়াতের প্রতিনিধি অধ্যাপক আবদুল হালিম বৈঠকে জানান, তারাও দুই সিটিতে প্রার্থী দিয়েছেন। তবে জোটের বৈঠকে যে সিদ্ধান্ত হয়েছে তা দলীয় ফোরামে আলোচনা করে জানানো হবে। বৈঠকের সিদ্ধান্তকে ইতিবাচক বলেও জানান জামায়াত প্রতিনিধি। এদিকে আগামী রবিবার প্রার্থী চূড়ান্ত হবে বলে বিএনপির পক্ষ থেকে জোটকে জানানো হয়।

বৈঠকে থাকা জোটের এক নেতা জানান, কার্যত বিএনপির প্রার্থীকে সমর্থন দেওয়ার জন্যই এ বৈঠক ডাকা হয়েছে। জামায়াতেরও সমর্থন আদায় করা হয়েছে। মনে হচ্ছে, তারা আর মেয়র প্রার্থী দেবে না। শুধু দরকষাকষি করে দুই চারটি ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদ নিতে পারে।

আরেক নেতা জানান, বৈঠকের শুরুতেই মহাসচিব দলের প্রধান খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের অবস্থা জানান। বেগম জিয়ার সালামও জোট নেতাদের পৌঁছে দেন। দল ও জোটের ঐক্যবদ্ধ অবস্থানে বেগম জিয়া খুশি বলেও অবহিত করেন বিএনপি মহাসচিব। একইসঙ্গে জোটনেত্রীর মুক্তি দাবিতে গণতান্ত্রিক আন্দোলন নিয়েও কথা হয়।

জোটের সমন্বয়কের দায়িত্বে থাকা বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলামসহ বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন খেলাফত মজলিশের মাওলানা মুহাম্মদ ইসহাক, জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) মোস্তফা জামাল হায়দার, কল্যাণ পার্টির সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, এমএম আমিনুর রহমান, এলডিপির ড. রেদোয়ান আহমেদ, জাগপার রেহানা প্রধান, এনপিপির ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, ইসলামী ঐক্যজোটের মাওলানা আবদুর রকীব, বিজেপির আবদুল মতিন সউদ, লেবার পার্টির দুই অংশের মোস্তাফিজুর রহমান ইরান ও এমদাদুল হক চৌধুরী, ন্যাপের গোলাম মোস্তফা ভূঁইয়া, ইসলামিক পার্টির আবুল কাশেম, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মাওলানা মহিউদ্দিন ইকরাম, ডিএলের সাইফুদ্দিন আহমেদ মনি, পিপলস লীগের মাহবুব হোসেন, সাম্যবাদী দলের সাঈদ আহমেদ, এনডিপির মনজুর হোসেন ঈসা প্রমুখ।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here