কোটা সংস্কার আন্দোলনের প্রধান তিন নেতাকে চোখ বেঁধে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়নি। এটা এক ধরনের ভুল বোঝাবুঝি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্যের বাসভবনে হামলার ঘটনায় সহযোগিতা চাইতে তাদের আনা হয়েছিল বলে দাবি করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) যুগ্ম কমিশনার আবদুল বাতেন।

মঙ্গলবার (১৭ এপ্রিল) দুপুর সাড়ে ১২টায় ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা জানান।

তিনি বলেন, ‘ঢাবি ভিসির ভবনে হামলার ছবি ও ভিডিও ফুটেজ আমরা সংগ্রহ করেছি। সেই ছবি বা ফুটেজ দেখে হামলাকারীদের শনাক্তের জন্য তাদের ডিবি কার্যালয়ে আনা হয়েছিল। পরে তাদের ছেড়ে দেয়া হয়েছে।’

আবদুল বাতেন বলেন, ‘আন্দোলন নিয়ে আমাদের কোনো অবস্থান নেই। উপাচার্যের বাসায় হামলার ঘটনায় করা মামলার তদন্ত করছি আমরা। এজন্য একাধিক শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন সময়ে ডিবি কার্যালয়ে ডাকা হচ্ছে। তদন্তে যথেষ্ট অগ্রগতি হয়েছে।’

এর আগে সোমবার (১৬ এপ্রিল) বেলা পৌনে ১টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে প্রবেশ ফটকের সামনে রিকশা থেকে আন্দোলনকারী তিন নেতাকে তুলে নেয়ার অভিযোগ উঠে। প্রথমে পুলিশ তা অস্বীকার করলেও আজ তা স্বীকার করেছে।

এরপর আন্দোলনকারী যুগ্ম আহবায়ক নূরুল হক নূর, ফারুক হাসান, মুহম্মদ রাশেদ খানকে ডিবি পুলিশ ছেড়ে দিলে তারা ঢাবি ক্যাম্পাসে গিয়ে সংবাদ সম্মলন করেন। এ সময় পুলিশ তাদের চোখ বেঁধে হয়রানি করেছে, এমন অভিযোগও করেছিলেন।

তবে তাদের এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ডিবি পুলিশের যুগ্ম কমিশনার আবদুল বাতেন বলেন, ‘এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি। তবে তারা কেন অভিযোগ করছে সেটা তারা ভাল বলতে পারবে।’

উল্লেখ্য, গত ৮ এপ্রিল রাত দেড়টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির বাসভবনে হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। এ সময় ব্যাপক ভাঙচুর ও পরে বাসভবনের সামনে রাখা গাড়িতে অগ্নিসংযোগ করে তারা। এ ঘটনায় শাহবাগ থানায় মামলা হয়েছে। মামলাটি তদন্তে কাজ করছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here